Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Samik Bhattacharya

বিজেপির ‘অনন্ত’ আগ্রহ, ‘বেসুরো’ মহারাজের সাক্ষাৎ শেষে শমীক বললেন, লুডো নিয়ে কথা হয়নি!

সাক্ষাৎ নিয়ে ভোটমুখী বাংলায় নয়া জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ২১:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ২১:৩৩

options
link
বিজেপির ‘অনন্ত’ আগ্রহ, ‘বেসুরো’ মহারাজের সাক্ষাৎ শেষে শমীক বললেন, লুডো নিয়ে কথা হয়নি! zoom

বিক্রম রায়, কোচবিহার: সাম্প্রতিক অতীতে দলের বিরুদ্ধে বারবার মুখ খুলেছেন অনন্ত মহারাজ। বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদের মন্তব্যে অস্বস্তিতেও পড়তে হয় গেরুয়া শিবির। এই আবহে অনন্ত মহারাজের বাড়িতে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কী কথা দু’জনের, নৈশভোজ সেরে বেরিয়ে সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি শমীক। আর তা নিয়ে ভোটমুখী বাংলায় নয়া জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে।

ভোটমুখী বাংলায় এসআইআর নিয়ে তীব্র চাপানউতোর। তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চলছে জোর দড়ি টানাটানি। শাসক শিবির তৃণমূলের দাবি, ভোটমুখী বাংলার বাসিন্দাদের হেনস্তা করতে এসআইআর। আবার বিজেপির দাবি, ভূতুড়ে ভোটারদের ঝাড়াই বাছাই করতেই এসআইআর। ভোট বিপর্যয়ের আশঙ্কায় নাকি এসআইআর বিরোধিতা করছে তৃণমূল। এই টানাপোড়েনের মাঝে এসআইআর নিয়ে একাধিকবার ‘বেসুরো’ মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে বিজেপির রাজ্য়সভার সাংসদ অনন্ত মহারাজকে। কখনও তিনি বলেছেন, এসআইআর তালিকায় নাম না থাকলেই ঠাঁই হবে ডিটেনশন ক্যাম্পে। আবার কখনও তাঁর গলায় শোনা গিয়েছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে ‘বাংলাদেশি’ বলে উল্লেখ করতে। আবার তার মাত্র কয়েকদিন পরেই রাজবংশীদের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে কমিশনে চিঠি লিখতেও দেখা গিয়েছে। যা নিয়ে বারবার অস্বস্তিতে পড়ে গেরুয়া শিবির। অনন্ত মহারাজের অভিসন্ধি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

Advertisement

অনন্ত মহারাজকে নিয়ে অস্বস্তির মাঝে শুক্রবার বঙ্গ বিজেপির সভা ছিল কোচবিহারে। এদিনের দলীয় সভায় দেখা যায়নি অনন্ত মহারাজ। তবে সভার পর সন্ধ্যায় অনন্ত মহারাজের বাড়িতে যান শমীক ভট্টাচার্য। বাড়ি থেকে বেরিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, “আমাকে আমন্ত্রণ করেছিলেন নৈশভোজে। ওঁর বাড়িতে এসেছিলাম। দুজন ব্যক্তি যখন বসে সামাজিক বিষয় নিয়ে, রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কথা হবে। লুডো খেলা নিয়ে হবে না।” একাধিকবার দলের মতাদর্শের বিরুদ্ধে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন অনন্ত মহারাজ। তা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়ে গেরুয়া শিবির। তবে কি এদিন নৈশভোজের ফাঁকে সে বিষয়ে কথা হল দু’জনের? যদিও সে প্রশ্নের জবাব দিতে চাননি শমীক। তিনি বলেন, “এই বিষয়ে কিছু বলব না। নিশ্চয় ওঁর কিছু জায়গায় আবেগ আঘাত পেয়েছিল। এর আগে রাজনাথ সিং, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে কথা হয়েছে। আরও অনেকের সঙ্গে হয়তো ভবিষ্যতে ওঁর কথা হবে।” সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে শমীকের এই মন্তব্য যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.