BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

চমকপ্রদ ফলাফলের দিকে বাংলা, ইঙ্গিত সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের সমীক্ষায়

Published by: Team Development |    Posted: May 20, 2019 3:01 pm|    Updated: May 20, 2019 11:57 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটপর্ব শেষ। এবার অপেক্ষার পালা ২৩ মে পর্যন্ত। গোটা দেশের মতো আমাদের পাঠকরাও হয়তো উৎকণ্ঠায় অপেক্ষা করছেন। তাই পাঠকদের উৎকণ্ঠা কমাতে আমরা বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে একট ভোট পরবর্তী সমীক্ষা করেছি। যাতে বেশ চমকপ্রদ ফলাফল উঠে আসছে। যদিও, সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের করা এই সমীক্ষাটি তথাকথিত বুথ-ফেরত সমীক্ষা নয়। বরং, বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি ফলাফলের আভাস মাত্র। তাই কোন দল বা কোন প্রার্থী কোন কেন্দ্রে জয়ী হবেন তা আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয়। আমরা শুধু কার পাল্লা ভারী সেটুকুই নির্ধারণ করার চেষ্টা করেছি।

বাংলার অধিকাংশ আসনেই দেখা যাচ্ছে বামেদের ভোট যাচ্ছে গেরুয়া শিবিরে। যার জেরে চমকপ্রদ উত্থান হতে চলেছে বিজেপির। তবে, রাজ্যের প্রধান শক্তি এখনও তৃণমূল কংগ্রেস। একনজরে দেখে নেওয়া যায় আসন ভিত্তিক সম্ভাব্য ফলাফল।

কোচবিহার: কোচবিহার কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী একসময়ের তৃণমূল নেতা নিশিথ প্রামাণিক। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী পরেশ চন্দ্র অধিকারী। কোচবিহার কেন্দ্রে তৃণমূল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত। সেই সঙ্গে নিশিথ প্রামাণিকের ব্যক্তিগত সাংগঠনিক শক্তি রয়েছে। তাই, কোচবিহার কেন্দ্রে কিছুটা এগিয়ে বিজেপির নিশিথ প্রামাণিক।

[আরও পড়ুন:বাংলায় প্রস্ফুটিত পদ্মকুঁড়ি, কড়া টক্কর তৃণমূলকে! আভাস অধিকাংশ বুথফেরত সমীক্ষায়]

আলিপুরদুয়ার: তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ দশরথ তিরকের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের প্রচুর অভিযোগ এবং তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরে পিছিয়ে তৃণমূল। তাছাড়া বিজেপি প্রার্থী জন বারলা গোর্খা এবং আদিবাসীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। এই কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী জন বারলা।

জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়িতে তৃণমূল প্রার্থী বিজয়চন্দ্র বর্মণ বেশ জনপ্রিয়, তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ নেই সে অর্থে। তাছাড়া, এই এলাকায় বিজেপি এখনও ততটা প্রভাবশালী নয়। তাই এই এলাকায় এগিয়ে বিজয়চন্দ্র বর্মণ।

দার্জিলিং:তৃণমূলের অমর সিং রাই পাহাড়ের ভূমিপুত্র হওয়ায় পাহাড়ে তিনি কিছুটা লিড পেতে পারেন। কিন্তু, বিমল গুরুং পন্থীরা এখনও তৃণমূল বিরোধী তাছাড়া সমতলের চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের থেকে এগিয়ে থাকবে বিজেপি। তাই এই কেন্দ্রেও এগিয়ে থাকতে পারেন বিজেপি প্রার্থী রাজু সিং বিস্ত।

রায়গঞ্জ: রাজ্যের একমাত্র আসন যেখানে প্রকৃত অর্থে চতুর্মুখী লড়াই। এই এলাকায় সমানে সমানে টক্কর সিপিএমের মহম্মদ সেলিম, কংগ্রেসের দীপা দাশমুন্সী, তৃণমূলের কানাইয়ালাল আগরওয়াল, এবং বিজেপির দেবশ্রী চৌধুরি। দাড়িভিট কাণ্ডের পর এই এলাকায় ভোটের মেরুকরণ তীব্র। সংখ্যাগুরু ভোটারদের অধিকাংশ যেতে পারে বিজেপি শিবিরে। এদিকে, সংখ্যালঘু ভোট তিনভাগে ভাগ হচ্ছে। তাই মহম্মদ সেলিমের জনপ্রিয়তাকে টপকে ভোট কাটাকাটির খেলায় এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরি।

বালুরঘাট:   অর্পিতা ঘোষের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া এই এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরম রূপ নিয়েছে ।প্রার্থী নিয়ে স্থানীয় নেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা যায়। তাই সার্বিকভাবে অর্পিতা ঘোষের ফের সংসদে যাওয়ার রাস্তা বড়ই কঠিন। কিছুটা হলেও এগিয়ে আছেন বিজেপির প্রার্থী। 

মালদহ উত্তর: প্রকৃত অর্থে ত্রিমুখী লড়াই। কংগ্রেস-তৃণমূল-বিজেপি লড়াই। তবে, জনপ্রিয়তার নিরিখে মৌসম নূর খানিকটা এগিয়ে। তবে, খগেন মূর্মু বা ইশা খান চৌধুরিকে পিছিয়ে রাখা যাচ্ছে না। এই কেন্দ্রটিও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সামান্য এগিয়ে মৌসম নূর।

মালদহ দক্ষিণ:জনপ্রিয়তার নিরিখে এই আসনটিতে এবারেও এগিয়ে আবু হাসেম খান চৌধুরি। তুলনায় তৃণমূল প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন পিছিয়ে রয়েছেন।

মুর্শিদাবাদ:কঠিন লড়াই। মূলত কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে। সিপিএম এবং বিজেপি লড়াইয়ে থাকলেও তারা তুলনায় পিছিয়ে। বিরোধী শিবিরের ভোট কাটাকাটিতে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করতে পারেন তৃণমূলের আবু তাহের।

জঙ্গিপুর : জঙ্গিপুর কেন্দ্রে আরো একবার সাংসদ হয়ে আসতে পারেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়। তবে তাকে কড়া চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন তৃণমূলের খলিলুর রহমান। 

বহরমপুর: অধীর চৌধুরির গড়। সংগঠনে ভাটা পড়লেও শিষ্য অপূর্ব সরকারকে হারিয়ে এবারেও সাংসদ হতে পারেন অধীর চৌধুরি।

কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণনগরে দুই হেভিওয়েটের লড়াই। ব্যক্তিগত ক্যারিশমা এবং বিধায়ক হিসেবে ভাল ট্র্যাক রেকর্ড থাকায় কিছুটা এগিয়ে তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। কড়া লড়াই দিলেও খানিকটা পিছিয়ে বিজেপির কল্যাণ চৌবে।

[আরও পড়ুন:ক্ষমতায় ফিরছে মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ, ইঙ্গিত অধিকাংশ বুথফেরত সমীক্ষায়]

রানাঘাট:রানাঘাটে তৃণমূল প্রার্থী প্রয়াত বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাসের স্ত্রী রূপালি বিশ্বাস। কিন্তু রূপালিকে প্রার্থী করায় কাল হতে পারে তৃণমূলের। দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরও প্রবল। তাছাড়া এই এলাকায় বিজেপির পক্ষে চোরাস্রোত রয়েছে। তাই এগিয়ে বিজেপির জগন্নাথ সরকার।

বর্ধমান পূর্ব: এই কেন্দ্রে জনপ্রিয়তার নিরিখে অনেক এগিয়ে সুনীল মণ্ডল। দ্বিতীয় স্থানে থাকতে পারেন বিজেপির পরেশচন্দ্র দাস।

বর্ধমান-দুর্গাপুর: এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী দার্জিলিংয়ের বিদায়ী সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া। তিনি বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিদায়ী সাংসদ মমতাজ সংঘমিতাকে কড়া টক্কর দিলেও শেষ পর্যন্ত খানিকটা এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থীই। কারণ, এস এস আলুওয়ালিয়া অনেকটা দেরিতে প্রচার শুরু করেছেন।

আসানসোল: আসানসোলে ভোটটা মূলত মেরুকরণের অঙ্কে হয়েছে। তাছাড়া অবাঙালি ভোটারদের মধ্যে বিজেপির জনপ্রিয়তা রয়েছে। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় কিছুটা এগিয়ে।

বীরভূম: বীরভূম থেকে আরও একবার শতাব্দী রায় সাংসদ হতে চলেছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। মূলত সংখ্যালঘু ভোটে ভর করেই এই এলাকায় ফের সাংসদ হতে পারেন শতাব্দী। পরাজিত হতে পারেন বিজেপির দুধকুমার মণ্ডল।

বোলপুর: অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুক বোলপুর। অসিত মাল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের নেতা এবার তৃণমূল প্রার্থী।  তাই কংগ্রেস ভোটারদেরও একাংশ পাবেন তিনি। তাই কিছুটা এগিয়ে তিনি।

বনগাঁ: ঠাকুরবাড়ির লড়াইয়ে কিছুটা এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী মমতাবালা ঠাকুর। কিন্তু, শান্তনু ঠাকুরকে প্রার্থী করাটাই কিছুটা পিছিয়ে দিল গেরুয়া শিবিরকে। শান্তনু প্রার্থী হওয়ায় বিজেপির একাংশেই ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল।

বারাকপুর: হেভিওয়েট কেন্দ্র। দীনেশ ত্রিবেদী এবং অর্জুন সিংয়ের লড়াই। কিন্তু, অর্জুন সিংয়ের ভাটপাড়ার বাইরে প্রভাব ততটা বেশি নয়। তাই শেষ পর্যন্ত এগিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী।

হাওড়া: স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, মোহনবাগান আবেগকে কাজে লাগিয়ে হাওড়া কেন্দ্রে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ই। তবে, এবারে লড়াই দিচ্ছেন বিজেপির রন্তিদেব সেনগুপ্ত।

উলুবেড়িয়ায়: সংখ্যালঘু অধ্যূষিত আসনটিতে একসময় লড়তেন তৃণমূলের সুলতান আহমেদ। এবারে তাঁর স্ত্রী সাজদা আহমেদ অনেকটাই এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে।

শ্রীরামপুর: ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তায় এবারেও এই কেন্দ্রে কিছুটা এগিয়ে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপক্ষে বিজেপির তরুণ তুর্কি দেবজিত সরকার লড়াই দিলেও, শেষ পর্যন্ত এগিয়ে কল্যাণই।

হুগলি: হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তবে, আবারও সেই ব্যক্তিগত ফ্যাক্টর। তাই, তারকা লকেটের থেকে জনসংযোগে কিছুটা এগিয়ে ছিলেন তৃণমূলের রত্না দে নাগ।

আরামবাগ:সাধারণত আরামবাগ শাসকের পক্ষেই ভোট দেয়। এবারেও সেই ট্রেন্ডই বজায় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। আবারও জিততে পারেন অপরূপা পোদ্দার।

তমলুক: অধিকারী গড়ের এই আসনটিতে ধারে ভারে অনেকটাই এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী দিব্যেন্দু অধিকারী।

কাঁথি:প্রার্থীর নাম শিশির অধিকারী। এই কেন্দ্রে নামটাই যথেষ্ঠ। এখানেও ধারেভারে অনেকটাই এগিয়ে শিশিরবাবু।

ঘাটাল: কঠিন লড়াই হলেও, পরিণত নেতা দেবকে এখানে এগিয়ে রাখছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতী ঘোষ ভোটের দিন যেভাবে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তাতে দেব অনেকটাই স্বস্তিতে আছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

ঝাড়গ্রাম: জঙ্গলমহলের আসনগুলিতে এবারে বিজেপির পক্ষে একটা চোরাস্রোত রয়েছে। তফসিলি জাতি-উপজাতির মধ্যে গেরুয়া শিবির জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তাই অঙ্কের বিচারে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী কুনার হেমব্রম।

মেদিনীপুর:রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। মেদিনীপুরেও বিজেপির পক্ষে চোরাস্রোত রয়েছে। তাছাড়া শাসকের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মেদিনীপুরে চূড়ান্ত। তাই এই আসনটিতেও এগিয়ে দিলীপ ঘোষ, পিছিয়ে মানস ভুঁইয়া।

পুরুলিয়া:পঞ্চায়েতেই ইঙ্গিত মিলেছিল। পুরুলিয়ায় পদ্ম ফুটতে চলেছে। লোকসভায় সম্ভবত সেই ফলাফলই প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। পুরুলিয়ায় অনেকটাই এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী জ্যোতির্ময় মাহাতো।

বাঁকুড়া: বাঁকুড়াতেও বিজেপির পক্ষে চোরাস্রোত রয়েছে। তবে, সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মতো শক্ত সংগঠককে প্রার্থী করেই মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুব্রত মুখোপাধ্যায় ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার জেরেই খানিকটা এগিয়ে। তবে, খুব পিছিয়ে নেই বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার।

বিষ্ণুপুর: ভোটের বেশ কিছুদিন আগে থেকে আদালতের নির্দেশে বিষ্ণুপুর এলাকায় ঢুকতে পারেননি বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ। তাই প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন তিনি। কিছুটা এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী শ্যামল সাঁতরা।

দমদম: এই এলাকায় বিজেপির একটা বেস ভোটার আছে। তাছাড়া এবারের লোকসভায় গেরুয়া শিবিরের পক্ষে চোরাস্রোত বইছে। তাছাড়া বামের ভোট রামে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। তাই কিছুটা হলেও এগিয়ে বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য। তাছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাও রয়েছে।

বারাসত: তৃণমূলের কাকলি ঘোষ দস্তিদার এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী মৃণালকান্তি দেবনাথের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থাকলেও তা খুব একটা প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

বসিরহাট: মেরুকরণের পাশাপাশি সুন্দরবন লাগোয়া এলাকায় তৃণমূল ভাল ভোট করাতে পেরেছে। তাই কিছুটা হলেও এগিয়ে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নুসরত জাহান। সায়ন্তন বসুর থেকে অনেকটাই এগিয়ে তিনি।

জয়নগর: এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ বাম প্রার্থী সুভাষ নস্কর। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত তিনি ততটা লড়াই দিতে পারেননি। তাই তাঁর থেকে অনেকটাই এগিয়ে তৃণমূলের প্রতিমা মণ্ডল।

মথুরাপুর:বিজেপির পক্ষে চোরাস্রোত। তাছাড়া বাম ভোট পুরোপুরি বিজেপির দিকে যাচ্ছে। তাই এই কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপির শ্যামপ্রসাদ হালদার।

ডায়মন্ড হারবার:অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র। এখনও এই কেন্দ্রে বিজেপি ততটা শক্তি বাড়াতে পারেনি। এখানে মূল লড়াই তৃণমূল বনাম বাম। এবং এই লড়াই অনেকটাই এগিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

যাদবপুর: বিজেপি এবং সিপিএমের ভোট ভাগাভাগির জেরে খানিকটা এগিয়ে মিমি চক্রবর্তী। বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য খুব পরিশ্রম করলেও বিজেপির ভোট কাটার অঙ্কই এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে।

কলকাতা দক্ষিণ:মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র। সংগঠন থেকে উন্নয়ন সবেতেই নজরকাড়া তৃণমূল। তাই দক্ষিণ কলকাতায় অনেক এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী মালা রায়।

কলকাতা উত্তর: উত্তর কলকাতায় লড়াই ছিল সেয়ানে সেয়ানে। কিন্তু ভোটের দিন বিজেপির সংগঠনের অভাব চোখে পড়ল। আর তার জেরেই কিছুটা এগিয়ে তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

দফাআসন সংখ্যাতৃণমূলবিজেপিবামফ্রন্টকংগ্রেস
প্রথম দফা
দ্বিতীয় দফা
তৃতীয় দফা
চতুর্থ দফা
পঞ্চম দফা
ষষ্ঠ দফা
সপ্তম দফা
মোট আসন৪২২৭১২

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement