Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বভারতীর চিনা ভবন সংস্কারে ৯০ লক্ষ টাকা দেবে চিন

বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে নয়াদিল্লির চিনা দূতাবাসের বার্তা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০১৮, ১৬:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০১৮, ১৬:৪৭

options
link
বিশ্বভারতীর চিনা ভবন সংস্কারে ৯০ লক্ষ টাকা দেবে চিন zoom

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারত ও চিনকে এক সূত্রে বাঁধতে চেয়ে ছিলেন। সেই উদ্দেশ্যেই শান্তিনিকেতনে তৈরি করেছিলেন চিনা ভবন। এবারও ভারত-চিন সম্পর্কে সেতু হলেন সেই রবীন্দ্রনাথ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিন সফরের পরেই বিশ্বভারতীর চিনা ভবন সংস্কারে এক কোটি টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করল চিন সরকার। দিল্লির চিনা দূতাবাস থেকে চিঠি দিয়ে বিশ্বভারতীর চিনাভবন কর্তৃপক্ষকে এই কথা জানানো হয়েছে। উপাচার্য সম্মতি দিলেই সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে যাবে। ভবন সংস্কারের পাশপাশি গ্রন্থাগারের আধুনিকীকরণও করা হবে। এর ফলে আরও বেশি ছাত্র ছাত্রী চিনা ভাষা পড়ার সুযোগ পাবেন। এবিষয়ে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সবুজকলি সেন বলেন, “চিনা ভবন সংস্কারের জন্য চিনা সরকার প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা দিচ্ছে। আমরা চিঠি পেয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি এর অনুমোদন দেওয়া হবে।”

[ডেকে নিয়ে গিয়ে যুবকের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলল দুষ্কৃতীরা, চাঞ্চল্য মন্তেশ্বরে]

এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে চিন সফরে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি চিনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। মোদি চিনা রাষ্ট্রপতিকে শান্তিনিকেতন থেকে নিয়ে যাওয়া দু’টি ছবিও (প্রতিলিপি) স্মারক তুলে দেন। এই সফর শেষ হতেই চিনা ভবনের সংস্কারের জন্য এক কোটি টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে চিন সরকার। এর মধ্যে ৬০ লক্ষ টাকা দিয়ে চিনা ভবনের চারটি ঘর সংস্কার করা হবে। বাকি টাকা দিয়ে চিনা ভবনের গ্রন্থাগারের সংস্কার করা হবে। আধুনিকভাবে সাজিয়ে তোলা হবে গ্রন্থাগারটিও। প্রসঙ্গত, এর আগেও কলকাতার চিনা কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে ৩৬ লক্ষ টাকা খরচ করে একটি ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাবরেটরি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 ১৯৩৭ সালে শান্তিনিকেতনে চিনা ভবনের প্রতিষ্ঠা করেন গুরুদেব। তাঁর এই উদ্যোগে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করেছিলেন থান ইউ শান। ১৯৫৭ সালে শান্তিনিকেতন আসেন তৎকালীন চিনা প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই। এরপর একাধিক চিনা প্রতিনিধি দল আসে শান্তিনিকেতনে। গত ১০ বছরে এর সংখ্যা লাগাতার বাড়ছে। বিশ্বভারতীর চিনা ভবনের সঙ্গে চিনের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মউ স্বাক্ষর হয়েছে। প্রতি বছর দু’দেশের অধ্যাপক ছাত্র-ছাত্রীদের একাধিক দল শান্তিনিকেতনে যেমন তেমনই এখান থেকে চিনেও যায়। চলতি মাসের ১৬ তারিখে শান্তিনিকেতন থেকে একটি দল চিনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় যাচ্ছে। প্রতিনিধি দলের সময়সীমা ১৬-২৩ মে। এই প্রসঙ্গে চিনা ভবনের অধ্যক্ষ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “চিন ও ভারতের সম্পর্ক সূত্রের অন্যতম মুখ্য ব্যক্তিত্ব গুরুদেব। তাঁর ভুমিকাই সবথেকে বেশি গুরত্বপূর্ণ। সেইকথা মনে রেখেই চিনা ভবনের লক্ষ্য ভারতীয় ও চিনা সংস্কৃতিকে দু’দেশের যুব সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া।”

[‘একটু হেল্প করুন!’ হবু স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে জেলাশাসকের দপ্তরে হাজির ভোটকর্মী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.