Advertisement
Advertisement
FIFA World Cup 2026

ট্রাম্পের চাপে লাল কার্ড বাতিল, কিন্তু হ্যারি কেনদের আবেদন খারিজ ফিফার! বিশ্বকাপে ফের বিতর্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটা ফোনেই কেল্লাফতে। রাতারাতি বাতিল হয়ে গিয়েছিল মার্কিন ফুটবলারের লাল কার্ড। রাষ্ট্রপ্রধানের নির্দেশে শাস্তি কমছে, সেই দেখে ফিফার দ্বারস্থ হয়েছিল ইংল্যান্ড।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ২১:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ২১:১৯

options
link
ট্রাম্পের চাপে লাল কার্ড বাতিল, কিন্তু হ্যারি কেনদের আবেদন খারিজ ফিফার! বিশ্বকাপে ফের বিতর্ক zoom
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো সৌভাগ্য হবে কি কিলিয়ান এমবাপে-হ্যারি কেনদের?

ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটা ফোনেই কেল্লাফতে। রাতারাতি বাতিল হয়ে গিয়েছিল মার্কিন ফুটবলারের লাল কার্ড। রাষ্ট্রপ্রধানের নির্দেশে শাস্তি কমছে, সেই দেখে ফিফার দ্বারস্থ হয়েছিল ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স। দুই দেশই রাজনৈতিকভাবে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল যেন তাদের দেশের ফুটবলারদের শাস্তি কমিয়ে দেওয়া যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো সৌভাগ্য হবে কি কিলিয়ান এমবাপে-হ্যারি কেনদের?

বসনিয়া এবং হারজেগোভিনার বিরুদ্ধে শেষ বত্রিশের ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগান। নিয়ম অনুযায়ী, প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে সাসপেন্ড থাকতেন। কিন্তু তাঁর শাস্তি তুলে নেয় ফিফা। এক বছরের জন্য সেই সাজা পিছিয়ে দেয় ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা। জানা যায়, ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোকে ফোন করেছিলেন ট্রাম্প স্বয়ং। তারপরেই লাল কার্ড প্রত্যাহার এবং সোশাল মিডিয়ায় ফিফাকে ট্রাম্পের ধন্যবাদ জ্ঞাপন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই ঘটনা শুনেই মজার ছলে ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল বলেন, তাহলে কি হ্যারি কেন ফোন করে পরামর্শ চাইবেন ট্রাম্পের থেকে? কীভাবে লাল কার্ড প্রত্যাহার করানো যায়? বাস্তবে কিছুটা সেরকমই পদক্ষেপ করল ইংল্যান্ড। ব্রিটিশ এমপি নোয়া ল এবং মেলানি অন চিঠি লিখেছেন, যেন ইংল্যান্ড তারকা জ্যারেল কুয়ানশার লাল কার্ড প্রত্যাহার করা হয়। ফিফার কাছে আবেদন জানিয়েছেন একঝাঁক ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ। ফিফার কাজের ব্যাখ্যা চেয়েছে ব্রিটেনের এক সংসদীয় কমিটিও।

কুয়ানশার ভাগ্য কী হবে, সেই নিয়ে এখনও চিন্তাভাবনা চলছে বলে সূত্রের খবর। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো সুবিধা পায়নি ফ্রান্স। কোয়ার্টার ফাইনালে তারা মরক্কোর বিরুদ্ধে নামার আগেই জানা যায়, ফরাসি তারকা মাইকেল ওলিসের হলুদ কার্ড বাতিল করা হয়নি। প্রশ্ন উঠছে, লাল কার্ড যদি বাতিল করা যায় তাহলে অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর হলুদ কার্ড কেন প্রত্যাহার করা হবে না? আয়োজক দেশ বলেই কি আমেরিকার যাবতীয় দাবিদাওয়া মেনে নেওয়া হল? ওলিসের হলুদ কার্ড যেহেতু বাতিল করা হয়নি, তাহলে কি ইংরেজ তারকার লাল কার্ডও বহাল থাকবে? বৈষম্যের আশঙ্কা বাড়ছে বিশ্বকাপে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.