মনিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: শ্রীভূমির বুর্জ খলিফা, কল্যাণীর লুমিনাস ক্লাবের থাইল্যান্ডের মন্দির, শিয়ালদহের সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের পর এবার উলুবেড়িয়ার কালীবাড়ির সরস্বতী পুজো। ভিড়ের চাপে মণ্ডপ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হলেন পুজোর আয়োজকরা। সোমবার বিকেলে বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল কালীবাড়ির পুজো মণ্ডপ। বাইরে তখন জনতার ঢল। নিরাপত্তার জন্য পুলিশের দ্বারস্থ হন আয়োজকরা। পুলিশই পরে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করেছে। মণ্ডপে ঢুকতে না পেরে মনখাপার দর্শকদের।
উলুবেড়িয়া কালীবাড়িতে প্রতি বছরের মত এবছরও সরস্বতী পুজোর আয়োজন করেছিল স্থানীয় একটি ক্লাব। সেখানে বাজছিল ডিজে। কাতারে কাতারে লোক আসতে থাকেন মণ্ডপ দেখতে। ডিজের তালে তালে নাচতে শুরু করেন তাঁরা। মণ্ডপের আশপাশে বিশাল খোলা মাঠ থাকলেও তিলধারণের জায়গা ছিল না। সোমবারও একই পরিস্থিতি। বেলা বাড়ার সঙ্গে লোকসংখ্যাও বাড়তে থাকে। দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই অবস্থায় দুর্ঘটনা এড়াতে কালীবাড়িতে ডিজে বাজানো বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি কিছুক্ষণের জন্য কালীবাড়িতে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষেধ করে দেওয়া হয়।
ভিড় সামলাতে হিমশিম আয়োজকরা উলুবেড়িয়া থানায় বিষয়টি জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মণ্ডপ বন্ধ করে জনসাধারণের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। এনিয়ে কালী মন্দির কমিটির সদস্য তথা উলুবেড়িয়া পুরসভার কাউন্সিলর রঘুনাথ দে জানান, ”ডিজে ছিল না। শুধু মাইক ছিল। প্রচুর লোক বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে হঠাৎই এখানে জড়ো হয়ে যায়। বাইরে থেকে প্রচুর লোক আসে। এতে কালীবাড়ীতে ব্যাপক ভিড় জমতে শুরু করে। ভিড়ের চাপে পদপিষ্টের আশঙ্কায় তারপরেই কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় কালীবাড়ির গেট। তবে তা আবার খুলে দেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, ভিড়ের চাপে পুজোমণ্ডপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নতুন নয়। গত কয়েকবছরে দুর্গাপুজোর সময়ে দেখা গিয়েছে, কলকাতার নামীদামি পুজোমণ্ডপগুলি বন্ধ করে দিতে হয়েছিল জনজোয়ারের কারণে। নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এহেন সিদ্ধান্ত নিতে অনেক সময়ে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন।
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর