Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Satabdi Roy

‘সুযোগ দিচ্ছেন, ভোট না দিলে বেইমানি হবে’, পুরুলিয়ার মঞ্চ থেকে আরজি শতাব্দীর

পদ্ম শিবিরের নেতা-কর্মীরা 'মস্তানি' করছে বলে অভিযোগ তাঁর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২১, ১৮:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২১, ১৮:৩২

options
link
‘সুযোগ দিচ্ছেন, ভোট না দিলে বেইমানি হবে’, পুরুলিয়ার মঞ্চ থেকে আরজি শতাব্দীর zoom
ছবি: অমিতলাল সিং দেও

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2021)। তার আগে ক্রমশই বাড়ছে ভোটের উত্তাপ। শাসক-বিরোধী আক্রমণের ঝাঁজ তীব্র হচ্ছে সমানে। এই প্রেক্ষাপটে পুরুলিয়ার হুটমোড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর সভামঞ্চ থেকে বিরোধী বিজেপিকে চাঁচাছোলা ভাষায় বিঁধলেন শতাব্দী। আসন্ন নির্বাচন তৃণমূলকে ভোট দিয়ে জয়ী করার আহ্বানও করেছেন তিনি।

এদিনের সভামঞ্চ থেকে রাজ্যের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির কথা তুলে ধরেন বীরভূমের তিনবারের সাংসদ শতাব্দী রায়। তিনি জানান, পুরুলিয়ার (Purulia) প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে জল, আলো, বিদ্যুতের মতো অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা রাজ্য সরকার পৌঁছে দিয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন তিনি। সে সমস্ত সুযোগের কথা মনে করিয়ে তৃণমূলকে আরও একবার ভোট দিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন শতাব্দী। তাঁর কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুযোগ দিচ্ছেন, ভোট না দিলে বেইমানি হবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা টিকা নিলেন শীলভদ্র দত্ত! ভাইরাল ছবি ঘিরে অস্বস্তিতে বিজেপি]

এছাড়াও এদিনের সভামঞ্চ থেকে বিজেপিকে (BJP) কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন শতাব্দী। ক্ষমতায় আসার আগেই পদ্ম শিবিরের নেতা-কর্মীরা ‘মস্তানি’ করছে বলে অভিযোগ তাঁর। বিজেপি কার্যত ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে বারবার। বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবির জিতলে বাংলায় ধর্মীয় হানাহানি আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা শতাব্দীর। তাই সোনার বাংলা গড়ার ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) জয়যুক্ত করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন শতাব্দী। দলবদলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল বিভিন্ন মহলে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের পর সমস্যা মিটে যায়। তৃণমূলের পাশে থাকার কথা দিয়েছেন শতাব্দীর। তারপর তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। বড়সড় দায়িত্ব পাওয়ার পর কোমর বেঁধে সংগঠনকে মজবুত করার কাজে শতাব্দী (Satabdi Roy) ব্রতী হয়েছেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

[আরও পড়ুন: ‘ঘর সামলাতে পারেন না, ভোটে কী করবেন?’, সৌমিত্র খাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণ তৃণমূল নেতার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.