ছাত্রীর অ্যাকাউন্টে টাকার পাহাড়! স্কলারশিপের ৯০০ টাকা তুলতে গিয়ে প্রায় ৭৬০ কোটি টাকার হদিশ পেয়ে চোখ কপালে কোচবিহারের হলদিবাড়ির ছাত্রীর। এত অর্থ কোথা থেকে এল তার অ্যাকাউন্টে? হন্যে হয়ে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে ছাত্রী ও তার পরিবার। সেইসঙ্গে গ্রাস করেছে তীব্র আতঙ্ক। দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারে এত টাকা কোথা থেকে এল? তা ভেবে মাথায় হাত। ছাত্রীর মা জানাচ্ছেন, ওই টাকা যেখান থেকে মেয়ের অ্যাকাউন্টে এসেছিল, সেখানেই চলে যাক। তবে এমন ঘটনা প্রথম নয়। শনিবার সকালেই দুর্গাপুরের এক গৃহবধূর অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭৪০ কোটির হদিশ পাওয়া যায়। অন্নপূর্ণ ভাণ্ডারের ৩০০০ টাকা তুলতে গিয়ে তিনিও তাজ্জব হয়ে যান। এবার ছাত্রীর অ্যাকাউন্টেও এত অর্থ। হচ্ছেটা কী? প্রশ্ন সবার।
সুপর্ণার মা শম্পাদেবী জানান, ‘‘আজ ব্যাঙ্ক বন্ধ বলে ওরা বাজারে গিয়ে একটা দোকান থেকে অনলাইনে ৯০০ টাকা তোলে। তারপর অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স দেখতে গিয়ে দেখে, ৭৫৯ কোটি ৬৯ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৫১টাকা। মেয়ে তো অবাক! তার নামেই ওই অ্যাকাউন্ট, শুধু স্কলারশিপের টাকা ঢোকে। যখন দরকার হয়, তখন সেই টাকা তুলে নেওয়া হয়। এছাড়া আর অন্য কোনও লেনদেন হয় না। সেখানে এই কোটি কোটি টাকা এল কী করে?”
আরও পড়ুন:
কোচবিহারের হলদিবাড়ির ছাত্রী সুপর্ণা রায়। হলদিবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী সে। প্রতি মাসে রাজ্য সরকারের তরফে পড়াশোনার জন্য স্কলারশিপ পায়। সম্প্রতি তার স্কুল যাওয়ার কেডসটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। নতুন জুতো কিনতে ওই স্কলারশিপের টাকা সে ব্যবহার করবে বলে ঠিক করে। সেইমতো শনিবার সকালে দাদার সঙ্গে সে টাকা তুলতে গিয়েছিল। সুপর্ণার মা শম্পাদেবী জানান, ‘‘আজ ব্যাঙ্ক বন্ধ বলে ওরা বাজারে গিয়ে একটা দোকান থেকে অনলাইনে ৯০০ টাকা তোলে। তারপর অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স দেখতে গিয়ে দেখে, ৭৫৯ কোটি ৬৯ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৫১টাকা। মেয়ে তো অবাক! তার নামেই ওই অ্যাকাউন্ট, শুধু স্কলারশিপের টাকা ঢোকে। যখন দরকার হয়, তখন সেই টাকা তুলে নেওয়া হয়। এছাড়া আর অন্য কোনও লেনদেন হয় না। সেখানে এই কোটি কোটি টাকা এল কী করে?” আতঙ্কের সুরে শম্পাদেবীর বক্তব্য, ‘‘আমরা গরিবর মানুষ। দিন আনি দিন খাই। আমাদের ব্যাঙ্কে যদি এত টাকা ঢোকে, ভয় করবে না? আমি চাই, যেখান থেকে টাকাটা এসেছে সেখানেই চলে যাক।”

এমন ঘটনা যে এই প্রথম, তা নয়। শনিবার সকালেই দুর্গাপুরের জটেশ্বর এলাকার এক গৃহবধূর অ্যাকাউন্টে ৭৪০ কোটি টাকার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা তুলতে গিয়েছিলেন। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টে দেখা যায়, তাঁর অ্যাকাউন্টে ৭৪০ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা আছে। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই গৃহবধূর বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়, তাঁর ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স মাত্র ২১৬ টাকা। তাহলে কীভাবে কোটি টাকা? জানা গিয়েছে, কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টের রসিদে যে টাকার অঙ্ক দেখিয়েছিল, তা আসলে ১০ সংখ্যার একটি ফোন নম্বর। তা সত্ত্বেও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গরমিল ঠেকানো যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সুদিন ফেরাতে আস্থা ‘দ্য নর্মাল ওয়ানে’, জার্মানির কোচ হিসাবে দায়িত্ব নিলেন ক্লপ
-
‘এবার কোর্টে দেখা হবে…’, নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াতেই কাকে নোটিস পাঠালেন সায়নী?
-
‘সাবধান! ভুলেও অপরিচিতের সঙ্গে যাবে না’, বারুইপুর থেকে শিক্ষা নিয়ে সচেতনতার পাঠ হাওড়ার স্কুলে
-
৬০০-র বেশি ক্ষুব্ধ জনতার হামলা, একের পর এক বাড়িতে আগুন! ফের রণক্ষেত্র মণিপুর
-
বেঙ্গালুরু থেকে রাতে ফিরেছিল, সকালে বাড়ির কাছেই আমবাগানে পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ!