৪ আশ্বিন  ১৪২৬  রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: সরকারি আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগে পোস্টার পড়েছিল শহরে। কড়া পদক্ষেপ করলেন কৃষ্ণনগর সদরের মহকুমা শাসক সৌমেন দত্ত। স্রেফ নির্দেশ জারি করাই নয়, সরকারি প্রকল্পে কাটমানি, স্বজনপোষণ-সহ অন্যন্য দুর্নীতি রুখতে এবার তিনি নিজেই উপভোক্তাদের সঙ্গে কথার বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সরকারি প্রকল্পের টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে, তা সাধারণ মানুষকে বোঝাবেন খোদ মহকুমা শাসকই।

[আরও পড়ুন: বিতর্ক হতেই পদক্ষেপ, মিড-ডে মিলে এবার মাছ খাওয়াবে রাজ্য]

কৃষ্ণনগর পুর এলাকায় ‘সবার জন্য ঘর’ প্রকল্পে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ১০৬১টি ঘর তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। এই প্রকল্পে চারটি ধাপে বরাদ্দ ৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। গত অর্থবর্ষে কাউন্সিলরদের সুপারিশ মেনে উপভোক্তাদের তালিকাও তৈরি করে ফেলেছে কৃষ্ণনগর পুরসভা। কিন্তু দিন কয়েক আগে এই প্রকল্পে খোদ কৃষ্ণনগরের প্রাক্তন প্রধান অসীম সাহার বিরুদ্ধেই দুর্নীতি ও কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে পোস্টার পড়েছিল শহরে। পোস্টারের লেখা ছিল, সরকারি বরাদ্দের থেকে অনেক কম টাকায় নিম্নমানের ঘর তৈরি করা দেওয়া হচ্ছে উপভোক্তাদের। আর বাকি টাকা চলে যাচ্ছে কৃষ্ণনগরের পুরসভার প্রাক্তন প্রধানের অনুগামীর পকেটে। এমনকী, ভয় দেখিয়ে প্রাক্তন পুরপ্রধানের অনুগামীরা উপভোক্তাদের দিয়ে চেক সই করিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। এদিকে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরি ঘরে অল্প কিছুদিনের মধ্যে ফাটল ধরছে, ছাদ থেকে জল পড়ছে।

সরকারি প্রকল্পে এই দুর্নীতি কীভাবে ঠেকানো যাবে? পোস্টারে উপভোক্তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়, ‘নিজেরাই মিস্ত্রি ঠিক করুন। সরকারি বরাদ্দের টাকা নিজে হাতে খরচ করুন। অসুবিধা হলে মহকুমা শাসক বা এসডিও’র সঙ্গে দেখা করুন।‘ এই পোস্টারকে ঘিরে শোরগোল পড়ে যায় কৃষ্ণনগর শহরে। শেষপর্যন্ত সরকারি আবাস যোজনা দুর্নীতি ও কাটমানি রুখতে কড়া পদক্ষেপ করলেন কৃষ্ণনগর সদরের মহকুমা শাসক সৌমেন দত্ত।

উল্লেখ্য, কৃষ্ণনগর পুরসভায় ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল। পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, তবে ভোট হয়নি। কৃষ্ণনগর সদরের মহকুমা শাসক সৌমেন দত্তকে পুরসভার প্রশাসক নিয়ে করেছে রাজ্য সরকার।

[আরও পড়ুন: অসৌজন্যতা নিয়ে আক্ষেপ, অনুষ্ঠানে না আসায় মলয় ঘটক-জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে কটাক্ষ বাবুলের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং