Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
MahaKumbh 2025

সাইকেল নিয়ে পাড়ি, শান্তির বার্তা দিতে দুর্গাপুর থেকে কুম্ভের পথে ঘুগনি বিক্রেতা শ্যামাপদ

স্বামীর কাজে গর্বিত স্ত্রী অসীমা শর্মা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ১০:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ১০:৩২

options
link
সাইকেল নিয়ে পাড়ি, শান্তির বার্তা দিতে দুর্গাপুর থেকে কুম্ভের পথে ঘুগনি বিক্রেতা শ্যামাপদ zoom
রওনা হওয়ার আগে স্বামীকে বরণ করছেন স্ত্রী। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: শান্তির বার্তা দিতে সাইকেল নিয়ে মহাকুম্ভের পথে ঘুগনি বিক্রেতা শ্যামাপদ শর্মা। সাইকেলের হ্যান্ডেলে উড়ছে জাতীয় পতাকা। সেই সাইকেলে চেপে বিশ্বশান্তি কামনায় মহাকুম্ভের উদ্দেশে পাড়ি দিলেন তিনি। তাঁর বাড়ি দুর্গাপুরের কুড়ুরিয়ায়। সাইকেল নিয়ে পরিবেশ বাঁচানোর বার্তা নিয়ে কখনও কাশ্মীর, কখনও লাদাখ, কখনও আবার উত্তর ভারতেও গিয়েছেন তিনি।

এবার তাঁর লক্ষ্য মহাকুম্ভে গিয়ে বিশ্বশান্তির বার্তা ছড়ানো। তিনি সকলকে গাছ লাগানোর বার্তা দেবেন। বলবেন, পরিবেশ বাঁচাতে কী কী করণীয়। আর দেশ-বিদেশে ঘটে চলেছে নানান অসামাজিক কাজ। মৃত্যুর মুখেও পড়তে হচ্ছে বহু মানুষকে। সেসব যাতে বন্ধ হয়, তার আর্জি জানাবেন তিনি। রবিবার সকালে বাড়ি থেকেই শ‌্যামাপদ রওনা দেন প্রয়াগরাজের উদ্দেশে। তাঁকে চন্দনের ফোঁটা দিয়ে  সাফল্য কাম না করলেন স্ত্রী ও ছেলে,মেয়ে।

Advertisement

ঘুগনি বিক্রি করেই সংসার চলে ওই পরিবারের। আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকলেও পরিবারের শান্তি আছে। সে কারণেই সাইকেল নিয়ে শ্যামাপদর বেরিয়ে যাওয়ায় কখনও বাধা দেওয়া, বিরক্তি প্রকাশ করেননি স্ত্রী। ঘুগনি বিক্রেতার স্ত্রী অসীমা শর্মা বলেন, “আমাদের নুন আনতে পান্তা ফুরনোর সংসার। তবে তার মধ্যেই আনন্দ খুঁজে পাই। স্বামী নানা বার্তা দিতে পথে বেরিয়েছেন, আমি গর্বিত।”

শ্যামাপদ বলেন, “২০০৭ সাল থেকে আমি এই পথ বেছে নিয়েছি। আমি পেশায় ঘুগনি বিক্রেতা। ওখান থেকে যেটুকু আয় হয়, তার মধ্যে কিছুটা করে জমিয়ে রাখি। সেই অর্থ দেশের স্বার্থে কাজে লাগায়। আমার একটাই লক্ষ্য পরিবেশকে বাঁচানো, আর বিশ্বের শান্তি কামনা। সেই বার্তা নিয়ে এবারেও বেরিয়ে পড়লাম মহাকুম্ভের উদ্দেশ্যে।” তাঁর বাড়ি থেকে কুম্ভমেলার দূরত্ব ৬৩৩ কিলোমিটার। এই পথ যেতে চার দিন সময় লাগবে বলে তিনি জানিয়েছেন। শ্যামাপদ বলেন, “সেখানে গিয়ে আমি পুণ্যার্থীদের সচেতনতার বার্তা দেব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.