Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Sikkim Tunnel Collapse

বাড়িতে বিয়ের তোড়জোড়! সিকিম থেকে ফিরল একমাত্র রোজগেরে ছেলের দেহ, শোকে পাথর মা

জানা গিয়েছে, বিয়ের খরচ জোগাতেই বাড়তি রোজগারের আশায় সিকিমে গিয়েছিলেন মেটেলি ব্লকের ইংডং চা-বাগানের বাসিন্দা শ্যাম ওরাওঁ।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৬, ১৮:০৩

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৬, ১৮:০৩

options
link
বাড়িতে বিয়ের তোড়জোড়! সিকিম থেকে ফিরল একমাত্র রোজগেরে ছেলের দেহ, শোকে পাথর মা zoom
সিকিম থেকে ফিরল একমাত্র রোজগেরে ছেলের কফিনবন্দি দেহ।
Advertisement

জীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর আগেই সব শেষ! সিকিমের টানেল বিপর্যয় (Sikkim Tunnel Collapse) কাড়ল প্রাণ। মালবাজারে ফিরল তরতাজা যুবকের কফিনবন্দি দেহ। জানা গিয়েছে, বিয়ের খরচ জোগাতেই বাড়তি রোজগারের আশায় সিকিমে গিয়েছিলেন মেটেলি ব্লকের ইংডং চা-বাগানের বাসিন্দা শ্যাম ওরাওঁ। কিন্তু বাড়ি ফেরা আর হল না।

পরিবার সূত্রের জানা গিয়েছে, সামনেই তাঁর বিয়ে। সেই মতো তোড়জোড়ও চলছিল বাড়িতে। শ্যামের আশীর্বাদও হয়ে গিয়েছিল। আগামী মাসে কনের আশীর্বাদের কথা ছিল। জানা গিয়েছে, বিয়ের খরচের জন্য অর্থ উপার্জন করতেই প্রায় দেড় মাস আগে প্রথমবারের মতো সিকিমে কাজে যান শ্যাম। কিন্তু জীবিত বাড়ি ফেরা হল না তাঁর। বৃহস্পতিবার রাতে কফিনবন্দি দেহ ফিরল নিজের গ্রামে। বাড়ির একমাত্র রোজগেরে ছেলের মৃত্যুতে শোকে পাথর মা। ছেলের মৃত্যুসংবাদ জানার পর থেকেই ঘরের এক কোণে মাথায় হাত দিয়ে নির্বাক হয়ে বসে রয়েছেন। চোখে জল নেই, কারও সঙ্গে কথাও বলছেন না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মৃতের দাদা সুনীল ওরাওঁ জানান, “আমরা চার ভাই ছিলাম। সবাই আলাদা থাকি। একজন ভাই চেন্নাইয়ে কাজ করে। এর আগে এক ভাই পাঁচ বছর আগে মারা গিয়েছিল। এবার শ্যামও চলে গেল। মৃত্যুর খবর আমরা গতকাল পাই। কিন্তু মাকে সঙ্গে সঙ্গে জানাইনি। সকালে জানানো হয়েছে। তারপর থেকেই মা একদম ভেঙে পড়েছেন। ভাইয়ের আশীর্বাদ হয়ে গিয়েছিল। আগামী মাসে মেয়ের আশীর্বাদ হওয়ার কথা ছিল। সেই খরচের টাকা জোগাড় করতেই প্রথমবার সিকিমে কাজে গিয়েছিল। কিন্তু সব শেষ হয়ে গেল।”

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ইংডং চা-বাগানে অস্থায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন শ্যাম। বাবা-মাকে নিয়ে তাঁর সংসার চলত সামান্য আয়ে। চা-বাগানের মজুরিতে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে উঠেছিল। তাই অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের আশায় তিনি সিকিমে কাজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। গত সপ্তাহেও মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল শ্যামের। তিনি জানিয়েছিলেন, মাস শেষেই টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরবেন এবং আশীর্বাদ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করবেন। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—বিয়ের স্বপ্ন পূরণের বদলে কফিনবন্দি হয়ে ফিরতে হল তাঁকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.