Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬

ব্যবসায়ীকে সোনার বিস্কুট বিক্রির অভিযোগ, ‘ক্লোজ’ করা হল খোদ এসআইকে

সরষের মধ্যেই ভূত!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৮, ১৪:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৮, ১৪:১৫

options
link
ব্যবসায়ীকে সোনার বিস্কুট বিক্রির অভিযোগ, ‘ক্লোজ’ করা হল খোদ এসআইকে zoom
Advertisement

ব্রতীন দাস, শিলিগুড়ি: গত মাসে শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়া থেকে বিপুল পরিমাণ চোরাই সোনা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। তখন সাংবাদিক সম্মেলনে করে তাঁকেই যাবতীয় কৃতিত্ব দিয়েছিলেন শিলিগুড়ি কমিশানারেটে কর্তারা। কিন্তু, এবার সেই পুলিশ আধিকারিকের জন্য মুখ পুড়ল পুলিশের! সোনা পাচারে নাম জড়িয়েছে বিধাননগর তদন্তকেন্দ্রের এসআই সঞ্চয় প্রধানের। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত এসআইকে ইতিমধ্যেই ক্লোজ করা হয়েছে। শুরু হয়েছে বিভাগীয় তদন্তও।

[ধূমপানের জন্য মায়ের বকুনি, বাড়ি থেকে পালিয়ে আত্মঘাতী কিশোর]

Advertisement

সিকিমের এক ব্যবসায়ীর অভিযোগ, তাঁকে ৫০ লক্ষ টাকায় ২০০টি সোনার বিস্কুট বিক্রি করেছিলেন এসআই সঞ্জয় প্রধান। কিন্তু, পরে তিনি বুঝতে পারেন, মাত্র ৩টি বিস্কুট আসল সোনার। বাকি সবকটিই নকল। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে শিলিগুড়ি কমিশনারেটে গোয়েন্দা বিভাগে গোটা ঘটনাটি জানান ভিন রাজ্যের ওই ব্যবসায়ী। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই সক্রিয় হয় পুলিশ। সূত্রের খবর, ফাঁসিদেওয়ার বিধাননগরে এসআই সঞ্জয় প্রধানে ভাড়াবাড়িতে হানা দেন গোয়েন্দারা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত সোনা বা টাকা কিছুই পাওয়া যায়নি। তদন্তে গোয়েন্দা জানতে পেরেছেন, সিকিমের ব্যবসায়ীকে যে সোনার বিস্কুটগুলি ওই পুলিশ আধিকারিক বিক্রি করেছিলেন বলে অভিযোগ, সেই বিস্কুটগুলির এক একটির ওজন ১০ গ্রাম। বিধাননগরের এক হোটেলে বসেই সোনা বিস্কুট বিক্রির ‘ডিল’টি চূড়ান্ত হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ওই বিস্কুটিগুলি নেপালে বিক্রি করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। যদিও তা আর হয়নি। ফাঁসিদেওয়ার বিধাননগরেই সেগুলি বিক্রি করা হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত এসআই সঞ্জয় প্রধানকে ক্লোজ করেছে দার্জিলিং জেলা পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। দার্জিলিং পুলিশ সুপার অখিলেশ চর্তুবেদী জানিয়েছেন, তদন্তে যদি অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ মেলে, তাহলে অভিযুক্ত এসআইয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

[দুর্ঘটনায় রোজগেরে ছেলের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণের ৫ লক্ষ নিয়ে উধাও বউমা

নেপাল সীমান্ত লাগোয়া শিলিগুড়িতে সোনা পাচারের ঘটনা নতুন নয়। এর আগে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে চোরাই সোনা উদ্ধারও করেছে পুলিশ। কিন্তু, এবার খোদ পুলিশ আধিকারিকেরই বিরুদ্ধে সোনার বিস্কুট বিক্রির অভিযোগ উঠল। পুলিশ মহলের একাংশের মতে, এই ঘটনা নজিরবিহীন। কেউ কেউ আবার বলছেন, এতো সরষের মধ্যেই ভূত!

[গঙ্গায় কুমির, নদীর পাড়ে উপচে পড়া ভিড় ভাঙ্গাপাড়ায়]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.