Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

রাতের ঘুম কেড়েছিল SIR শুনানি, নাম বাদ যাওয়ার শঙ্কায় মৃত্যু কোচবিহারের বাসিন্দার!

পরিবারের দাবি, ৩১ ডিসেম্বর শুনানির পর থেকে আতঙ্কে ছিলেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৫:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৫:১৩

options
link
রাতের ঘুম কেড়েছিল SIR শুনানি, নাম বাদ যাওয়ার শঙ্কায় মৃত্যু কোচবিহারের বাসিন্দার! zoom
ফাইল ছবি।

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: এসআইআর (SIR in West Bengal) আতঙ্কে ফের মৃত্যু রাজ্যে! এবার প্রাণ গেল কোচবিহারের বাসিন্দা মলিন রায়ের। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। মঙ্গলবার সকালে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের দাবি, এসআইআরের শুনানির পর থেকেই আতঙ্কে ছিলেন তিনি। 

মলিন রায় কোচবিহারের বড় হলদিবাড়ির বাসিন্দা। বয়স ৫৫ বছর। ২০০২ সালের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। ৩১ ডিসেম্বর শুনানিতে ডাকা হয় মলিনকে। সেখানে তিনি কাস্ট সার্টিফিকেট ও আধার কার্ড দেখান। তারপর তাঁকে কিছু বলা হয়নি। পরিবারের দাবি, বাড়িতে ফিরে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কায় ভুগতে থাকেন মলিন। তাতেই আজ, মঙ্গলবার ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে তড়িঘড়ি নিয়ে যান হলদিবাড়ি হাসপাতালে। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে নিয়ে যাওয়া হয় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
SIR in West bengal: Cooch Behar resident dies of stroke over 'fear' of name being omitted in voter List
মৃত মলিন রায়। নিজস্ব ছবি

মলিন রায়ের বড় ছেলে বাসুদেব রায় বলেন, “এসআইআর (SIR in West Bengal) প্রক্রিয়া নিয়ে বাবা চিন্তায় ছিলেন। ২০০২ সালের তালিকায় নাম ছিল না। কিন্তু ২০০৩ সালে নাম রয়েছে। বাবাকে শুনানিতে ডাকা হয় গত ৩১ ডিসেম্বরে। সেখানে এসসি কাস্ট সার্টিফিকেট ও অন্যান্য কাগজপত্র জমা করে এসেছিলেন। তারপর থেকেই চিন্তায় ছিলেন। আমার প্রথমে হলদিবাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাই। তারপর জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এখানেই মৃত্যু।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.