Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
SIR in West Bengal

সামলেছিলেন বহু নির্বাচনী কাজ, ভোটার তালিকায় বাদ পূর্ব বর্ধমানের প্রাক্তন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট!

শুধু তাঁর নাম নয়, স্ত্রী-বউদি, আত্মীয়দের নাম বাদ গিয়েছে। প্রাক্তন প্রশাসনিক ওই অধিকর্তা যে বুথের ভোটার সেখানকার ২০০-র বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে সাপ্লিমেন্টারি তালিকায়। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

অর্ক দে
অর্ক দে

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১৭:৪৯

link
অর্ক দে
অর্ক দে

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১৭:৪৯

options
link
সামলেছিলেন বহু নির্বাচনী কাজ, ভোটার তালিকায় বাদ পূর্ব বর্ধমানের প্রাক্তন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট! zoom
ওই গ্রামের মোট ২৪৯ ভোটারের নাম ‘বিচারাধীন’ রাখা হয়েছিল। অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় নাম নেই ২০৬ জনের।
Advertisement

অনেক নির্বাচন পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। কর্মজীবনে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে ভোটার তালিকা সংশোধন। নতুন নাম অন্তর্ভুক্তি, শুনানির দায়িত্ব পালন করেছেন। অথচ এসআইআর (SIR in West Bengal) প্রক্রিয়ায় নাম গেল পূর্ব বর্ধমানের এক প্রাক্তন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের। শুধু তাঁর নাম নয়, স্ত্রী-বউদি, আত্মীয়দের নাম বাদ গিয়েছে। প্রাক্তন প্রশাসনিক ওই অধিকর্তা যে বুথের ভোটার সেখানকার ২০০-র বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে সাপ্লিমেন্টারি তালিকায়। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভার অন্তর্গত তুরুক-ময়না গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ মতিন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ওই গ্রামের মোট ২৪৯ ভোটারের নাম ‘বিচারাধীন’ রাখা হয়েছিল। অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় নাম নেই ২০৬ জনের। তার মধ্যে রয়েছে মতিন, তাঁর স্ত্রী রেজিনা বেগম, বউদি কাজী ওবায়দাতুল্লাহ ও আত্মীয় আবদুল বসিতের নাম বাদ পড়েছে। এছাড়াও দুই শতাধিক ভোটারের নাম বাতিল হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

মহম্মদ মতিন ১৯৭৪ সালে জলপাইগুড়িতে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের কে.জি.ও পদে কর্মজীবন শুরু করেন। তারপর একে একে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব সামলিয়েছেন। বিডিও থেকে শুরু করে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট-সহ প্রশাসনের একাধিক উচ্চপদে আসীন ছিলেন মতিন। সামলিয়েছিলেন বর্ধমান পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারের দায়িত্বও। মতিন জানিয়েছেন, কমিশন শুনানিতে ডাকার পর চাকরির পরিচয়পত্র, পুরনো ভোটার তালিকা, পাসপোর্ট ও পেনশন সংক্রান্ত নথি জমা দেন। তারপরও তাঁর নাম বিচারাধীন থাকে। সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় নাম বাদ দেওয়া হয়। এতে তিনি অপমানিত ও মর্মাহত বলে জানিয়েছেন মতিন।

মতিনের বড় ছেলে মহম্মদ মোহিত পেশায় শিক্ষক। তিনি জানান বলেন, “এই বয়সে বাবা-মা ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন না,এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।” অন্যদিকে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর নাম বাদ গিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের রায়না বিধানসভার মাধবডিহি থানার আলমপুরের বাসিন্দা তথা বীরভূম জেলায় সংখ্যালঘু দপ্তরের আধিকারিক বাসিন্দা ইরফান হাবিব। তিনিও ঘটনায় বিস্মিত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.