Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

ভারতীয় সেনায় তিন পুরুষ, তবু SIR-এ নাম বাদ বধূর! ফর্ম ৬ পূরণে দাঁড়িয়ে বারাসতের লম্বা লাইনে

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাঁরা প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে লাইন দিয়েছিলেন বারাসতের জেলাশাসকের দপ্তরে।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৬, ১৯:৩৭

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৬, ১৯:৩৭

options
link
ভারতীয় সেনায় তিন পুরুষ, তবু SIR-এ নাম বাদ বধূর! ফর্ম ৬ পূরণে দাঁড়িয়ে বারাসতের লম্বা লাইনে zoom
বারাসত জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে ভিড়।

সেনা পরিবারের বধূ রমা দত্ত। বাবা-স্বামী ও ছেলে তিন প্রজন্ম দেশের সেবা করেছেন। তারপরও এসআইআরের (SIR in West Bengal) চূড়ান্ত তালিকায় বাদ গিয়েছে তাঁর নাম। বাগদার বাসিন্দা বিশ্বনাথ বাইন আবার সেনাপুত্র। তাঁর বাবার নাম ২০০২ সালের তালিকায় রয়েছে। তারপরও নাম বাদ গিয়েছে বিশ্বনাথের নাম। নাম বাদ গিয়েছে হাবড়া থেকে আসা বিজয় ভৌমিকেরও। তাঁর নিজের নাম রয়েছে ২০০২ সালের তালিকায়। এই রকম হাজার হাজার অভিযোগ রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনাজুড়ে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাঁরা প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে লাইন দিয়েছিলেন বারাসতের জেলাশাসকের দপ্তরে।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগানার বহু ভোটারের। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই ভিড় বারাসতের জেলাশাসকের দপ্তরে। হাতে নথি, মুখে দুশ্চিন্তা—নাম ফের তুলতেই দূরদূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন বহু মানুষ। বনগাঁ, বাগদা, বসিরহাট, বারাকপুর, হাবড়া—জেলার নানা প্রান্ত থেকে সকালেই পৌঁছন আবেদনকারীরা। কেউ ভোরে বেরিয়েছেন, কেউ রাতেই রওনা দিয়েছেন। লক্ষ্য একটাই—ভোটার তালিকায় নিজের বা পরিবারের নাম ফিরিয়ে আনা।

Advertisement

অভিযোগ, সংশোধিত তালিকা প্রকাশের পর হঠাৎই বাদ গেছে বহু নাম। কারও বাবা-মায়ের নাম ২০০২ সালের তালিকায় থাকলেও নতুন তালিকায় পরিবারের অন্য সদস্যদের নাম নেই বলে দাবি। ফলে ভোটাধিকার হারানোর আশঙ্কায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে। নাম ফের তুলতে ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়। তাই ভোর থেকেই জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে লাইন দীর্ঘ হয়। নথিপত্র হাতে দাঁড়িয়ে একের পর এক আবেদন জমা দেন মানুষ।

শাশুড়িকে সাহায্য করার জন্য আসা শ্রেয়া দত্তের অভিযোগ, “২০০২ সালে আমার শাশুড়ি রমা দত্তের নাম ভোটার তালিকায় ছিল। তাঁর বাবা, স্বামী ও ছেলে—তিনজনই ভারতীয় সেনায় ছিলেন। তারপরেও তাঁর নাম বাদ। এটা যারই গাফিলতি হোক, আমরা হেনস্থার শিকার।” বাগদার বাসিন্দা বিশ্বনাথ বাইন বলেন, “আমার বাবা সেনায় চাকরি করতেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল। তবুও আমার নাম বাদ দিয়েছে।” হাবড়া থেকে আসা বিজয় ভৌমিকের কথায়, “আমি ২০০২ সালের ভোটার। তবু আমার নাম বাদ গেছে। তাই সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে আছি।” প্রশাসনের তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে নাম ফের তালিকায় উঠবে কি না, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.