Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের পথ, অভিনব উদ্যোগ ‘লেবারনেট’-এর

এপর্যন্ত প্রায় ৫ লক্ষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে সংস্থাটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০১৮, ১৩:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০১৮, ১৩:৫৩

options
link
দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের পথ, অভিনব উদ্যোগ ‘লেবারনেট’-এর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শহর কলকাতাই হোক বা গোটা দেশ, জীবিকার জন্য অসংগঠিত ক্ষেত্রের উপরই নির্ভর সমাজের একটি বড় অংশ। তবে ভারতের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্র বা এমএসএমই। দেশের জিডিপি-র অনেকটাই জোগায় এই ক্ষেত্রের সংস্থাগুলি। তবে এদের বেশিরভাগই অসংগঠিত। যুব প্রজন্মের কর্মসংস্থানে এমএসএমই-র গুরুত্ব অসীম। কিন্তু উপযুক্ত দক্ষতা বা ‘স্কিল’-এর অভাবে অনেকেই কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছেন, বা সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারছেন না। ফলে দক্ষতা উন্নয়নের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতেই ১৫ জুলাই পালন করা হবে ‘ইয়ুথ স্কিল ডে’।

[মহাকাশে মানুষ পাঠানোর তোড়জোড়, ‘স্পেস ক্যাপসুল’-এর সফল পরীক্ষা ইসরোর]

Advertisement

সামাজিক অস্থিরতার একটি বড় কারণ হচ্ছে কর্মসংস্থানের অভাব। কলকাতার মতো মহানগরে চাকরির অভাব বড়সড় ক্ষোভের জন্ম দিতে পারে। যা থেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে অস্থিরতা। তাই সময়ের দাবি বুঝে যুব প্রজন্মের দক্ষতার মানদণ্ড বাড়িয়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে তাঁদের কাজের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। এই দিশায় নয় পথ দেখাচ্ছে ‘লেবারনেট’ নামের সংস্থা। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের নয়া দিশা দেখাচ্ছে সংস্থাটি। এপর্যন্ত প্রায় ৫ লক্ষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে সংস্থাটি। প্রায় ২৫টি শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সংস্থাটি। ফলে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে তারা। শিল্পপতিদের প্রশিক্ষিত মানব সম্পদ জোগান দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আরও সহজ করেও তুলতে পারে সংস্থাটি।

রাজ্যের উন্নয়নে একাধিক প্রকল্প শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি হচ্ছে ‘সামাজিক সুরক্ষা যোজনা’। সংস্থাটির দাবি, তাদের সাহায্যে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়িত করা যাবে। রাজ্য সরকার চাইলে এমন সামাজিক প্রকল্পে নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগাতে প্রস্তুত তারা। এমন উদ্যোগে লাভবান হবে কলকাতা ও রাজ্য।

[সকল ধর্মাবলম্বীর জন্য খুলতে হবে পুরীর মন্দির, রথযাত্রার আগে রায় শীর্ষ আদালতের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.