চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: ফের বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেল ১৪টি ঝুপড়ি দোকান। ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোলের হীরাপুর থানার বার্নপুর আপার রোডে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
বৃহস্পতিবার রাত দুটো নাগাদ হঠাৎই ওই ঝুপড়ি দোকানে আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন পৌঁছৈ কয়েক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। কীভাবে আগুন লাগল তা খতিয়ে দেখছে দমকল বিভাগ। উল্লেখ্য, এবছরের ১ জানুয়ারি রাতে বার্নপুরের আপার রোডে দু’টি ছোট গাড়ি ও ন’টি ঝুপড়ি দোকান পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়ে যায়। আসানসোল-দক্ষিণের বিধায়ক তাপস বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘ইস্কোর জায়গার উপর প্রচুর অস্থায়ী দোকান রয়েছে। গত কয়েক বছরে যে হারে বার্নপুরের দোকানে আগুন লাগছে তাতে আমারও ধারণা এগুলি দুর্ঘটনা নয়। কোনও ষড়যন্ত্র কাজ করছে। পুলিশকে উপযুক্ত তদন্তের দাবি জানিয়েছি আমরা।’
[আরও পড়ুন: চিতা থেকে মহিলার দেহ তুলে ময়নাতদন্তে পাঠাল পুলিশ!]
প্রসঙ্গত, গত অক্টোবরেই তিনটি দোকান ও একটি রিকশাতে আগুন লাগে বার্নপুরে। জুলাই মাসে পুড়ে ছাই হয়ে যায় চারটি দোকান। গত বছর ডিসেম্বরে বার্নপুরে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় ১৭টি অস্থায়ী দোকান। শুধু এবছরই নয়, গত তিন বছর ধরে এই ধারাবাহিকতা চলছে বলে অভিযোগ। ২০১২ সালের ১৫ জানুয়ারি ভোরে আগুন লেগে ছাই হয়ে যায় প্রায় দু’শো দোকান। তবে আগুন লাগার কারণ নিয়ে ধন্দ থাকলেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার কারণ নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করা। বার্নপুরের ইস্কো অনুমোদিত দোকানের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিনশো। অনুমতি ছাড়াই জায়গা দখল করে ব্যবসা চালাচ্ছে, এমন দোকান রয়েছে আরও শ’চারেক। দমকল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাজার এলাকায় যে সব অগ্নিবিধি মেনে চলা উচিত, তার কিছুই মানা হচ্ছে না এখানে। এই নিয়ম ভাঙার দৌড়ে বৈধ ও অবৈধ, সব দোকানদারই রয়েছেন।
সর্বশেষ খবর
-
বাড়িতে অন্ত্যেষ্টির তোড়জোড়, ৫ দিন পর এভারেস্টের ‘ডেথ জোন’ থেকে সশরীরে ফিরলেন শেরপা
-
‘ভূতে’ লুটে খাচ্ছে রেশন! দুর্নীতির শিকড় উপড়াতে শুভেন্দু সরকারের স্ক্যানারে খাদ্যসাথী
-
বাংলাদেশিদের ভুয়ো নথির জোগান! দিল্লির অভিশপ্ত সেই হোটেল মালিক সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য
-
‘শুধু দেব নয় অনেকেই মন খুলে কথা বলছেন’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিকে ‘রঘু’র সমর্থনে কী বললেন রূপা?
-
রাজস্থানে পাড়ি দিল মালদহের লিচু, আয়ের নতুন পথ খুলতেই মুখে হাসি চাষিদের