১৯ চৈত্র  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

ফের উত্তরবঙ্গের ট্রেন থেকে উদ্ধার বন্যপ্রাণী, ধৃত ভিনরাজ্যের পাচারকারী

Published by: Paramita Paul |    Posted: February 15, 2020 12:16 pm|    Updated: February 15, 2020 12:18 pm

An Images

রাজা দাস, বালুরঘাট: ফের উত্তরবঙ্গে ট্রেনে বন্যপ্রাণ পাচারের সময় হাতেনাতে ধৃত ভিন রাজ্যের যুবক। শুক্রবার বালুরঘাট-শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে উদ্ধার হল বনবিড়াল ও গোসাপ। পাচারের সময় রেল পুলিশ এই প্রাণীগুলিকে উদ্ধার করে। এই ঘটনায় বিহারের কিসানগঞ্জের রামপুর এলাকার বাসিন্দা চুরখু যোগিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে বনদপ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তারে বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইনের ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে বালুরঘাট থেকে শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি ছাড়ে। তপনের রামপুর স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছনোর পর আরপিএফ তল্লাশি করে। সেইসময় পাচারকারীকে হাতেনাতে ধরে রেল পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে দু’টি বনবিড়াল এবং দু’টি গোসাপ উদ্ধার করে আরপিএফ। গোসাপ দু’টি জীবন্ত থাকলেও বনবিড়াল দু’টিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।

[আরও পড়ুন : ‘ভূতে ধরেছে’ সন্দেহে চিকিৎসার বদলে ঝাড়ফুঁক, কুসংস্কারের বলি ২ শিশু]

রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি জেরায় স্বীকার করেছেন তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট থানার বাউল এলাকায় দু’টি বনবিড়ালকে হত্যা করেছেন। সেই দু’টি বনবিড়াল এবং দু’টি গোসাপ ধরে নিয়ে যাচ্ছিলেন। আরপিএফ ধৃত ব্যক্তিকে বিকেলে বুনিয়াদপুর স্টেশনে বন দফতরের হাতে তুলে দেয়। বালুরঘাটের বনদফতরের রেঞ্জার আব্দুর রেজ্জাক জানান, ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইনের ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। জীবন্ত গোসাপ দু’টিকে বন বিভাগের রেসকিউ সেন্টারে রাখা হয়েছে।

[আরও পড়ুন : শীতের বিদায়বেলায় ফের রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা, জেনে নিন কী বলছে হাওয়া অফিস]

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার  উত্তরবঙ্গের ট্রেন থেকে উদ্ধার কয়েক কোটি টাকা মূল্যের হাতির দাঁত। পাচারের অভিযোগে কেন্দ্রীয় রাজস্ব গোয়েন্দা দপ্তরের (ডিআরআই)জালে ভিন রাজ্যের এক নাগরিক। জানা গিয়েছে, ভিন রাজ্য থেকে এনে বেনারসে পাচারের পরিকল্পনা করেছিল ওই পাচারকারী। এর আগেও বেশ কয়েকবার ট্রেন থেকে বন্যপ্রাণীদের দাঁত, চামড়া উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, উত্তরবঙ্গকে কার্যত পাচারের করিডর হিসেবে ব্যবহার করছে পাচারকারীরা। তাই বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। সেই নজরদারির ফল মিলেছে হাতেনাতে। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement