Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Siliguri

স্কুটি নিয়ে যাওয়ার সময় সামনে চলে এল হাতি, শুঁড়ে পেঁচিয়ে আছাড়ে মৃত্যু জওয়ানের স্ত্রীর

হাতির হানায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৫, ১৮:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৫, ১৮:০৭

options
link
স্কুটি নিয়ে যাওয়ার সময় সামনে চলে এল হাতি, শুঁড়ে পেঁচিয়ে আছাড়ে মৃত্যু জওয়ানের স্ত্রীর zoom
প্রতীকী ছবি

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য , শিলিগুড়ি: হাতির হামলায় মারা গেলেন এক সেনা জওয়ানের স্ত্রী। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে আজ, শনিবার সকালে শিলিগুড়ি এলাকায়। মৃতার নাম সুনীতা থাপা ছেত্রী (৩৫)। হাতিটি তাঁকে শুঁড়ে তুলে আছড়ে মারে বলে খবর। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনীতা থাপা ছেত্রীর নিজের একটি দোকান আছে। এদিন সকালে নিজের দোকানে পৌঁছতে ভোরবেলা তিনি স্কুটি নিয়ে বেরিয়েছিলেন। শালুগারার কাছে বৈকুণ্ঠপুরের রাজফাপরি এলাকা দিয়ে তিনি যাচ্ছিলেন। সেসময় রাস্তায় একটি বুনো হাতি পথ আটকে দাঁড়ায়। সামনে হাতি দেখে ভয় পেয়ে যান তিনি। স্কুটি থামিয়ে তিনি নেমে পড়েছিলেন। গাড়িটি ফেলে তিনি ছুটে পালানোর চেষ্টা করেন। হাতিটি প্রথমে রাস্তায় পড়ে থাকা স্কুটিটি পায়ের আঘাতে ভেঙে দেয়। এরপর হাতিটি তাড়া করে ওই মহিলাকে। কিছু দূর গিয়েই ওই তরুণীকে ধরে ফেলে হাতিটি। সুনিতাকে শুঁড়ে তুলে আছড়ে মারা হয়।

Advertisement

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনীতার স্বামী সেনাবাহিনীর জওয়ান। ওই দম্পতির একটি ছোট মেয়ে রয়েছে। খবর পেয়ে স্বামী বাড়িতে ফিরেছেন। ঘটনার খবর পেয়ে শালুগাড়া রেঞ্জের বনকর্তা এবং ভক্তিনগর থানার পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায় দিন বৈকুন্ঠপুর জঙ্গল থেকে বেরিয়ে হাতি লোকালয়ে হামলা চালাচ্ছে। এর আগে মে মাসে রাজগঞ্জ ব্লকের মান্তাদারি গ্রাম পঞ্চায়েতের টাকিমারিতে দুই যুবক এবং শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের নকশালবাড়ি সংলগ্ন কলাবাড়ি এলাকায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। হাতি শুঁড়ে তুলে মাটিতে আছড়ে মারে ওই ব্যক্তিকে। খবর পেয়ে পুলিশ ও বনদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। দেহ উদ্ধারে বাধা দেয়। উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল এস কে মোলে বলেন, “খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। বনকর্মীরা রাতদিন কাজ করছেন। তবু দুর্ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না। সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.