Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
South Dinajpur's Kheer Doi

জিআই ট্যাগ পাচ্ছে নয়া বাজারের ক্ষীর দই, উচ্ছ্বাস দক্ষিণ দিনাজপুরে

রাজ্যের মধ্যে নয়াবাজারের দই সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এর তৈরি করার পদ্ধতিটাই সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ১২:১০

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ১২:১০

options
link
জিআই ট্যাগ পাচ্ছে নয়া বাজারের ক্ষীর দই, উচ্ছ্বাস দক্ষিণ দিনাজপুরে zoom
নয়া বাজারের বিখ্যাত ক্ষীর দই। ছবি: রতন দে।
Advertisement

জিআই ট্যাগ পাচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার নয়া বাজারের ক্ষীর দই। জেলা থেকে রাজ্য এবং ভিন রাজ্যের বাজারে আগেই ছেঁয়েছে স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয় এখানকার বিখ্যাত দই। জিআই ট্যাগের মাধ্যমে এবার দেশ-বিদেশেও পৌছে যাবে এখানকার এই দই। যথাযথ কদর বাড়বে কারিগর ও কারবারিদের। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার দরুণ আরও বেশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এই দই শিল্পে। এখানকার দই খেয়ে সুনাম করেছেন রাজ্যের অমলা থেকে মন্ত্রীরা। জেলা তো বটেই, ভিন রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এখানকার দই এর বিশেষ নাম ডাক রয়েছে।

ক্ষীর দইয়ের বর্তমান বাজার মূল্য ৩৫০ টাকা প্রতি কেজি। খাসা দই ২৫০ টাকা প্রতি কেজি ও সাধারণ দই ২০০ টাকা প্রতি কেজিতে বিক্রি করেন। এছাড়াও স্পেশাল অর্ডার পেলে চন্দ্রচূড় দইও তৈরি করেন তাঁরা। যার বাজার মূল্য প্রায় ১০০০-১২০০ টাকা প্রতি কেজি।

গঙ্গারামপুর ব্লকের নয়াবাজার এলাকার অন্তত ৫০ জন বড় দই ব্যবসায়ী আছেন। এছাড়া পাশের সুথল, যাদববাটি, সায়রাপুর, দকলাইন এলাকারও শতাধিক ব্যবসায়ী এখানকার কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বাপ ঠাকুরদার দীর্ঘদিনের এই ব্যবসাতেই লেগে রয়েছে নয়া বাজারের এই পরিবারগুলি। এলাকার ব্যবসায়ীরা গ্রামের বাড়ি বাড়ি থেকে দুধ সংগ্রহ করে নয়াবাজারে নিয়ে আসেন। চাহিদার কারণে এখানে শাক-সবজির মতো দুধের হাট বসে প্রতিদিন। দূর-দূরান্ত থেকে শতাধিক ব্যবসায়ী দুধ নিয়ে আসেন এই হাটে। প্রতিদিন কম করে ১০ হাজার লিটার দুধ বেচাকেনা হয়। ৬০-৭০ টাকা লিটার দরে দুধ কিনে কারিগররা সাধারণত তিন ধরনের দই উৎপাদন করেন। যারমধ্যে ক্ষীর দই, খাসা দই ও সাধারণ দই। ক্ষীর দইয়ের বর্তমান বাজার মূল্য ৩৫০ টাকা প্রতি কেজি। খাসা দই ২৫০ টাকা প্রতি কেজি ও সাধারণ দই ২০০ টাকা প্রতি কেজিতে বিক্রি করেন। এছাড়াও স্পেশাল অর্ডার পেলে চন্দ্রচূড় দইও তৈরি করেন তাঁরা। যার বাজার মূল্য প্রায় ১০০০-১২০০ টাকা প্রতি কেজি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজ্যের মধ্যে নয়াবাজারের দই সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এর তৈরি করার পদ্ধতিটাই সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের। বাংলাদেশের বগুড়ার পর পশ্চিমবঙ্গের নয়াবাজারেই একমাত্র ধাপে ঢাকা পদ্ধতিতে দই তৈরি করা হয়।

শুধুমাত্র জেলা নয়, প্রতিবেশী রাজ্য বিহারে এই দই রপ্তানি করা হয়। চাহিদায় থাকায় কলকাতাতেও নয়াবাজারের দই পাঠানো হয় বাসে চাপিয়ে। ইদানিং এই দইয়ের সুনাম পৌঁছায় সূদূর আমেরিকা ও দুবাইয়ের মতো দেশগুলিতেও। কিন্তু জিআই ট্যাগের অভাবে বিদেশে দই রপ্তানির নানা সমস্যা হচ্ছিল। এবার রাজ্য সরকারের উদ্যোগে জিআই ট্যাগ পেতে চলেছে এখানকার ক্ষীর দই। দই ব্যবসায়ী তথা কারিগর, বিপ্লব ঘোষ, যোগেশ চন্দ্র ঘোষ জানান, তাদের পূর্বপুরুষেরা আগে বাংলাদেশের পাবনাতে ছিলেন। সেখানে দুধের আমদানি ছিল অনেক। অধিক পরিমাণ দুধ থেকে মেশিনের সাহায্যে ঘি বের করা হত। বাকিটা ফেলে না দিয়ে দই তৈরি করা হত। কম করে সাত ঘন্টা দুধ ফোটানোর পর তা দই করার উপযুক্ত হয়। রাজ্যের মধ্যে নয়াবাজারের দই সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এর তৈরি করার পদ্ধতিটাই সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের। বাংলাদেশের বগুড়ার পর পশ্চিমবঙ্গের নয়াবাজারেই একমাত্র ধাপে ঢাকা পদ্ধতিতে দই তৈরি করা হয়। এখানাকার ক্ষীর দই জিআই ট্যাগ পেতে চলায় উৎসাহী সকলে। এলাকায় কর্মসংস্থান ও আর্থিক সমৃদ্ধি ঘটবে বলেই আশা তাদের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.