Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Visva Bharati

অনুমতি ছাড়াই পূর্ত বিভাগের জায়গায় তোরণ বানাচ্ছে বিশ্বভারতী! কাজ বন্ধ করল রাজ্য

দুর্গোৎসবের ছুটি থাকায় বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৪:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৪:৫৬

options
link
অনুমতি ছাড়াই পূর্ত বিভাগের জায়গায় তোরণ বানাচ্ছে বিশ্বভারতী! কাজ বন্ধ করল রাজ্য zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা, বোলপুর: পূর্ত বিভাগের জায়গায় অনুমতি ছাড়াই বিশ্বভারতীর তোরণ নির্মাণ ঘিরে বিতর্কে ফের সংঘাত। শনিবার, বোলপুর পূর্ত বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার রাজকুমার বাঁঠিয়া পরিদর্শনে এসে জানান, “পূর্ত দপ্তরের জায়গায় নির্মাণ হচ্ছে তোরণ। আমরা বিশ্বভারতীর ইঞ্জিনিয়ারের কাছে অনুমতি আছে কিনা দেখতে চাইলে তাঁরা কোনও অনুমতি দেখাতে পারেনি। এরপর তাঁরাই নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার, জেলা প্রশাসন সহ পূর্ত দপ্তরের অনুমতি নেই। সমগ্র বিষয়টি বোলপুরের মহকুমা শাসক-সহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।” যদিও দুর্গোৎসবের ছুটি থাকায় এদিন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে খবর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসনের কাছে কোনও অনুমতি দেখাতে পারেনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ আধিকারিকদের দাবি, ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ চারদিকে প্রবেশ পথে চারটি বড় তোরণ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নয়া উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ। যা রাজ্য সরকারের দমকল বিভাগের সামনের রাস্তায় একটি, শান্তিনিকেতন রোডে একটি কবিগুরু হস্তশিল্প মার্কেটের কাছে অন্যটি শ্যামবাটি বাজারের সংলগ্ন এলাকায়। আর চতুর্থ তোরণটি হবে কালিসায়র মোড় সংলগ্ন এলাকায় বিশ্বভারতীর প্রবেশ পথে।

Advertisement

শান্তিনিকেতন রোডে রতনকুঠি গেস্ট হাউস সংলগ্ন রাস্তার দুই দিকে তোরণের জন্য মাটিতে গর্ত করে রড সিমেন্ট দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছিল। এই রাস্তাটি পূর্ত বিভাগের। একইভাবে কবিগুরু হস্তশিল্প মার্কেটের কাছেও তোরণ নির্মাণের জন্য মাটি খোঁড়া শুরু করেছিল বিশ্বভারতী। ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ দেখালে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষের নির্দেশে পূর্বপল্লীর তিনটি খেলার মাঠ ট্রাক্টর দিয়ে চষে দেওয়াকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যেও। উল্লেখ্য, শিল্পী সুরেন্দ্রনাথ করের স্থাপত্য শৈলীতে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ শান্তিনিকেতনকে দর্শনার্থী পর্যটকদের কাছে বিশেষভাবে তুলে ধরতেই এই তোরণ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। যা নিয়ে পূর্ত দপ্তরের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ালো কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.