প্রত্যাহার করে নেওয়া হল হুমায়ুন কবীরকে দেওয়া নিরাপত্তা। গত কয়েকদিন আগেই কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেয়েছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান। এরপরেই রাজ্য সরকারের দেওয়া দুই নিরাপত্তা বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। আর এই ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ ভরতপুরের বিধায়ক। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় রাজ্য সরকারকে একহাত নেন তিনি। হুমায়ুনের দাবি, ঔদ্ধত্য দেখাতেই এহেন পদক্ষেপ করা হয়েছে। এমনকী এই বিষয়ে মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ সুপারকে ফোন করলেও তিনি ধরেননি বলে দাবি আম জনতা উন্নয়ন পার্টির। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, কেন্দ্রের নিরাপত্তাতেও ভরসা নেই বিধায়কের!
প্রসঙ্গত, কয়েকমাস আগে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি, দলবিরোধী আচরণের অভিযোগ তুলে তাঁকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। তারপরই নিজের দল তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। এরপর একাধিকবার তিনি দাবি করেছেন তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এক ব্যবসায়ী তাঁর নিরাপত্তায় বাউন্সার পাঠাচ্ছেন বলে দাবি করেছিলেন। প্রথমে জানা গিয়েছিল, হায়দরাবাদ থেকে এসেছে বাউন্সার। যদিও পরবর্তীতে প্রকাশ্যে আসে আসল তথ্য! জানা যায়, তাঁর নিরাপত্তায় যে কয়েকজন মোতায়েন করা হয়েছে সকলেই নাকি বাংলার। এরপরই তড়িঘড়ি তাঁদের সরিয়ে দেন হুমায়ুন। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।
আরও পড়ুন:
হাইকোর্টের নির্দেশে সম্প্রতি হুমায়ুন কবীরকে ‘ওয়াই প্লাস’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। তেরোজন নিরাপত্তা বাহিনী তাঁকে ঘিরে থাকছে। এরপরেই রাজ্যের দেওয়া বাহিনী তুলে নেওয়া হয়। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিধায়ক বলেন, ”রাজ্য সরকার দ্বিচারিতা করেন সবসময় বিরোধীদের সঙ্গে। আমি যখন জানুয়ারি মাসে কলকাতা হাইকোর্টে নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য আবেদন করি তখন ওরা বললো আমার বাড়িতে নাকি প্রতিদিন মোবাইল পেট্রোল ভ্যান দাঁড়িয়ে থাকে। অথচ ওরা থাকত আমার বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে মোড়ে। আদালতে ওরা দেখালো আমার নিরাপত্তা নিয়ে জেলা পুলিশ প্রশাসন সর্তক। আমার নিরাপওা বাহিনীর দরকার নেই। মানে ওরা বিরোধিতা করল।”
তাঁর কথায়, ”কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী যখন ৪ মার্চ এসে পৌঁছল আমি সেই সময় এক কর্মসূচিতে ছিলাম। সন্ধ্যা বেলায় যখন অনুষ্ঠান করে ফিরছিলাম আমার গাড়িতে তখনও রাজ্য সরকারের দুই দেহরক্ষী ছিল। কিন্তু দু’জনকে বহরমপুর পুলিশ লাইন থেকে ফোন করে তুলে নেওয়া হল। এরপরেই মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে ফোন করি। কিন্তু কেউ ফোন ধরেনি।”
সর্বশেষ খবর
-
চন্দ্রনাথ রথ খুনে নয়া মোড়, আত্মসমর্পণ উত্তরপ্রদেশের ‘গ্যাংস্টার’ মনুর
-
স্বরূপের বিরুদ্ধে মুখ খুলতেই কোণঠাসা শ্রীলেখা! গ্রেপ্তারির পরই ফাঁস টেকনিশিয়ান স্টুডিওর অন্দরের কাহিনি
-
কেরলে ঢুকেছে বর্ষা, শুক্রে বাংলার আকাশও মেঘের দখলে, ভ্যাপসা গরম থেকে এবার রেহাই?
-
ফের পদ্মায় পড়ে গেল যাত্রীবাহী বাস! দুর্ঘটনা দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে
-
প্রথম ম্যাচের আগে সুস্থ হবেন ইয়ামাল, বার্তা স্প্যানিশ কোচ ফুয়েন্তের