সন্দীপ চক্রবর্তী ও রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: ‘গণতন্ত্র গণতন্ত্র দিয়ে হয়। স্বৈরতন্ত্র দিয়ে হয় না। ভোট শান্তিপূর্ণ ভাবে হোক, আমরা এটাই চাই।’ শনিবার নবান্নয় বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশন পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পরই বিরোধীরা রাজ্যের অঙ্গুলিহেলনের অভিযোগ তোলে। তাতেই রাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্ৰীয় বাহিনী নিয়ে বিরোধী দাবি যাই হোক, এটা নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার। আমরা হস্তক্ষেপ করি না। করা উচিতও নয়।’
[রাজ্যে তিন দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন, ভোট শুরু ১ মে]
এদিকে, তড়িঘড়ি ভোটের দিন ঘোষণায় নির্বাচন কমিশনের অতি সক্রিয়তার বিরুদ্ধে ঘুর পথে আদালতে যাওয়ার ইঙ্গিত দিল বিজেপি। নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়েই বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, ‘১৯৯৯ সালে একটি মামলায় হাই কোর্ট রায় দিয়েছিল পরীক্ষাপর্ব চলাকালীন ভোটের দিন ঘোষণা করা যাবে না। বিরোধীরা যাতে প্রচারের সুযোগ না পায় সেই উদ্দেশ্য রয়েছে শাসকদলের। তাই পরীক্ষাপর্ব চলাকালীন ভোটের দিন ঘোষণা করা হল। আমরা এই বিষয়টি নিয়ে আইনের সাহায্য নেব বলে ভাবছি।’ বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য, ‘এত তাড়াহুড়ো করে দিন ঘোষণার দরকার ছিল না। রাজ্য সরকার আলোচনা চায় না। গণতন্ত্র মানে না। জবরদস্তি চলতে চাইছে। তবে নির্বাচন যেদিনই হোক, বাংলার মানুষ তৃণমূলকে উপযুক্ত জবাব দেবে।’ একইসঙ্গে ১ মে, শ্রমিক দিবসের দিন ভোট কেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুজনবাবু। কংগ্রেস বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তীর দাবি, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়েই পঞ্চায়েত ভোট করাতে হবে। না হলে ভোট লুট হবে। তাঁর বক্তব্য, প্রচারের সময় খুবই কম। আবার দ্বিতীয় দফার ভোট শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমে। সরকার চালাকি করেই এসব করেছে।’ বিরোধীদের বক্তব্যের পালটা দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, ‘গত সাত বছরের উন্নয়ন মানুষ জানে। আমরা আছি মানুষের দরবারে আর বিরোধীরা আদালতে নয় কমিশনের কাছে।’
[এটাই বাংলা, হনুমান জয়ন্তীর ব়্যালিতে জল হাতে এগিয়ে এলেন ফিরোজরা]
অন্যদিকে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য ভোটকর্মী চেয়ে রাজ্যকে চিঠি দিয়েছে কমিশন। ভোটের জন্য তিন লক্ষেরও বেশি ভোটকর্মী প্রয়োজন। তাই রাজ্যের কাছে এই বিপুল পরিমাণে ভোটকর্মীর আবেদন করেছে কমিশন। সেই সঙ্গে সাড়ে তিনশোর বেশি পর্যবেক্ষক চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। জানা গিয়েছে, আগামী নির্বাচনে রাজ্য পুলিশের ৪৬ হাজার সশস্ত্র পুলিশ থাকবে।
[আসানসোলের মানুষকে শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ রাজ্যপালের]
সর্বশেষ খবর
-
‘দোষীদের এভাবেই এনকাউন্টার করা হোক’, বারুইপুর কাণ্ডে অভিযুক্তের মৃত্যুতে বলছেন কামদুনির দুই প্রতিবাদী
-
ম্যাচ জিতিয়েও বাঁধ মানছে না কান্না! বিজয়াশ্রু নয়, মেসির চোখের জলের নেপথ্যে অন্য কাহিনি
-
মহারাজের জন্মদিনে ফিরল লর্ডসে জার্সি ওড়ানোর স্মৃতি! প্রকাশ্যে ফার্স্ট লুক, কবে মুক্তি?
-
‘চন্দ্রশেখর রাও ও তাঁর পুত্র আর্থিক সন্ত্রাসবাদী’, রাজ্যে বিরাট দুর্নীতির অভিযোগ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর
-
‘একা মর্নিং ওয়াকে যাবে, যাক’, বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে মমতার মিছিল নিয়ে মশকরা দিলীপের!