অভিষেক চৌধুরী, কালনা: পঞ্চায়েত ভোটের (WB Panchayet Election) আগে ফের জেলা থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র। গ্রেপ্তার ২ অস্ত্র ব্যবসায়ী (Arms dealer)। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গোপন অভিযান চালিয়ে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর ও মুর্শিদাবাদের ডোমকল থেকে গ্রেপ্তার করেছে দু’জনকে। ধৃতদের নাম কুরবান আলি ও রাকেশ মোল্লা। তাদের থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি বন্দুক।

এসটিএফ (STF) সূত্রে খবর, কুরবান আলি মন্তেশ্বরের ভাণ্ডারবাটি এলাকার বাসিন্দা। আর রাকেশ মোল্লার বাড়িতে ডোমকলের (Domkal) কাছে। কুরবানের কাছ থেকে অস্ত্র কেনার জন্য ডোমকল থেকে কুসুমগ্রাম-নাদনঘাট রোডে কাছে গিয়েছিল। বাইকে চড়ে যাচ্ছিল কুরবান ও রাকেশ। অস্ত্র লেনদেনের খবর গোপন সূত্রে পান এসটিএফের গোয়েন্দারা। তাঁরা হানা দিয়ে হাতেনাতে ধরেন দু’জনকে। কুরবানের কাছ থেকে একটি SBBL গান বা ওয়ান শটার বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে। মন্তেশ্বর থানায় কুরবান ও রাকেশের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেছে রাজ্য পুলিশের এসটি এফ।
[আরও পড়ুন: দিল্লির ব্যবসায়ীর নির্যাতনের শিকার, কলকাতার হাসপাতালে পুত্র সন্তানের জন্ম দিল বারো বছরের কিশোরী!]
প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, মন্তেশ্বরের কুরবান আলি কলকাতার একটি বেসরকারি সংস্থায় নিরাপত্তা রক্ষীর কাজ করত। তার আড়ালেই অস্ত্র ব্যবসায় হাত পাকাচ্ছিল। তবে এবার অস্ত্র লেনদেন করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল। কুরবান ও রাকেশকে আজ আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবেন এসটিএফ কর্তারা।
[আরও পড়ুন: দিল্লি হত্যাকাণ্ড: আফতাবের বিরুদ্ধে ‘থার্ড ডিগ্রি’ নয়, ৫ দিনের মধ্যে নারকো টেস্টের নির্দেশ আদালতের]
বছর পেরলেই রাজ্যে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন। গ্রামে-গঞ্জে ফের ভোটের দামামা। আর এই সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অস্ত্র আমদানি নতুন ঘটনা নয়। এই সময় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য বাড়ে। যার জেরে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অশান্তি এড়াতে এবার আগে থেকে সক্রিয় রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। অস্ত্র উদ্ধারে নানা জায়গায় চলছে তল্লাশি।
সর্বশেষ খবর
-
এবার লাভবান হবেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও চাষি, প্ল্যান বাতলালেন দিলীপ
-
স্বাস্থ্যসাথী-আয়ুষ্মানে নাম নেই? হাসপাতালেই মিলবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমার আবেদনপত্র!
-
যাদবপুরে নন্দলাল বসুর আঁকা প্রতীক ভাঙচুর, কোন উদ্দেশে তৈরি, অর্থই বা কী? জানুন ইতিহাস
-
‘শোলাঙ্কিকে প্রচণ্ড সম্মান করি, ব্রেক আপ নিয়ে…’, কী বললেন সোহম?
-
পুজো প্রস্তুতি শুরু কলকাতা পুলিশের, ডিভিশন-ট্রাফিক ডিসিদের কাছে তথ্য তলব লালবাজারের