Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Purba Bardhaman

প্রেমের ডাকে সাড়া, রাতের অন্ধকারে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি কিশোরীর!

এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিল পূর্ব বর্ধমানের ওই কিশোরী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২২, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২২, ১৬:২৪

options
link
প্রেমের ডাকে সাড়া, রাতের অন্ধকারে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি কিশোরীর! zoom
ছবি: প্রতীকী।
Advertisement

ধীমান রায়, কাটোয়া: প্রেমের হাতছানি। রাতের অন্ধকার, দুর্গম পথ- কোনও বাধাই মানেনি মন। তাই বাড়ির সকলে যখন ঘুমে আছন্ন সেই সুযোগে ঘর ছেড়েছিল কিশোরী। নজর এড়াতে সড়কপথের পরিবর্তে নির্জন মাঠের আলপথ ধরেছিল কিশোরী। কিন্তু নিশুতি রাতে খুব আবছা আলোয় মাঠের আলপথ ধরে পালানোর সময় কিশোরীর পরিণতি হল মর্মান্তিক।

চুরি রুখতে স্ট্রবেরি চাষের জমির বেড়ার সঙ্গে বিদ্যুতের তার জড়িয়ে রেখেছিলেন এক কৃষক। সেই বিদ্যুৎ তারে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু হল ১৭ বছরের ওই কিশোরীর। রবিবার সকালে পূর্ব বর্ধমান (Purba Bardhaman) জেলার আউশগ্রাম থানার ভেদিয়ার কাছে একটি স্ট্রবেরি খেতের পাশ থেকে ওই কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। দেহ যখন জমিতে পড়েছিল তখনও তার শরীরে জড়ানো ছিল বিদ্যুতের তার। ওই ঘটনায় মৃত কিশোরীর মা জনৈক কৃষকের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দেউচা-পাচামি প্রকল্প রুখতেই রামপুরহাট কাণ্ড! ফের বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ মমতার]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আউশগ্রামের দীপচন্দ্রপুর গ্রামের বাগানপাড়ার বাসিন্দা ওই কিশোরী। তার বাবা ভিনরাজ্যে কাজ করেন। মা জনমজুরি করেন। এক বোন, এক ভাই। কিশোরী এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিল। পরিবার সূত্রে খবর, ওই কিশোরী মাধ্যমিক শুরুর আগেই গত ১ মার্চ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে জানতে পারেন নদিয়া জেলার নবদ্বীপের বাসিন্দা এক যুবকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ওই কিশোরী সেখানেই পালিয়ে গিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ডায়রি করা হয়। তারপর গত ১২ মার্চ নবদ্বীপ থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে আনা হয়। মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসা হয়নি ওই ছাত্রীর।

বাড়ি ফেরার পর থেকেই কিশোরীকে তার মা চোখে চোখেই রাখছিলেন। অনেক বোঝাচ্ছিলেন। কিন্তু প্রেমিককে ভুলতে পারেনি কিশোরী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে খাওয়া দাওয়া সেরে সকলে শুয়ে পড়েন। সেসময় সুযোগ বুঝে আবার প্রেমিকের কাছেই পালাতে চেষ্টা করেছিল ওই কিশোরী। তারপর এই পরিণতি।

[আরও পড়ুন: ‘কথা কম, কাজ বেশি, সামনে পঞ্চায়েত ভোট’, শিলিগুড়িতে দাঁড়িয়ে জনপ্রতিনিধিদের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর]

জানা গিয়েছে, অজয়নদের চরের কাছে বেশকিছুটা জমিতে স্ট্রবেরি চাষ করেছেন বিহারের বাসিন্দা শ্যামানন্দন পাঠক নামে এক কৃষক। তার জমি দেখাশোনার জন্য একজন কেয়ারটেকারও রয়েছেন। ওই জমির পাশেই এদিন সকালে কিশোরীর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। কৃষকের কেয়ারটেকার লক্ষণ যাদব স্বীকার করেন, তাদের জমির বেড়ায় বিদ্যুতের তার জড়িয়ে রাখা হয়েছিল ফসল চুরি রুখতে। সেই তারেই কিশোরী বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়েছে। মাঠে মাঠে পালানোর সময় ওই জমির পাশ দিয়ে যেতেই এই ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের অনুমান। দেহটি এদিন ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.