Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Durgapur

কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের রহস্যমৃত্যু, দুর্গাপুরে হস্টেল থেকে উদ্ধার দেহ

ডাইরেক্টরকে ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৪, ০৯:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৪, ০৯:২২

options
link
কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের রহস্যমৃত্যু, দুর্গাপুরে হস্টেল থেকে উদ্ধার দেহ zoom
নিহত পড়ুয়া অর্পণ ঘোষ
Advertisement

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ঘিরে বিক্ষোভ অন্যান্য পড়ুয়াদের। কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতেই মৃত্যু বলে দাবি পড়ুয়াদের। রবিবার দুপুরে হস্টেলের ভিতর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়াকে বাঁচানো যায়নি কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে। এই অভিযোগ তুলে ডাইরেক্টরকে ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ। ব্যাপক উত্তেজনা দুর্গাপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

মৃত মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ার নাম অর্পণ ঘোষ (২২)। হুগলির ব্যান্ডেলের বাসিন্দা। এদিন সকালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে পরীক্ষা দিয়ে হোস্টেলে যায় অর্পণ। তৃতীয় বর্ষের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পড়ুয়া ডোনা রায়ের অভিযোগ, “দুপুরে অর্পণের সহপাঠীরা হস্টেলে যেতেই দেখে অর্পণ ঝুলছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে চিকিৎসা কেন্দ্রে অর্পনকে নিয়ে যাওয়া হলে অর্পণের পরিচয়পত্র দেখতে চায় চিকিৎসকরা। সেই পরিচয়পত্র সহপাঠীদের নিয়ে যেতে বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগে। তখনই চিকিৎসকরা বাইরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুল্যান্স সময়ে না পাওয়ার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে আরও বেশ কিছুক্ষণ সময় লেগে যায়। স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসা করা মৃত বলে ঘোষণা করে। ডাইরেক্টরের সম্পূর্ণ গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটেছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আমার মতো এত কাজ কেউ করেনি’, মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পরই মুখ খুললেন সুজাপুরের বিধায়ক]

তার পরেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিতর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরদারি আর চূড়ান্ত গাফিলতির অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে পড়ুয়ারা। ব্যাপক উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ডাইরেক্টরের সামনেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও শুরু হয়। উত্তেজনা সামাল দিতে পৌঁছয় দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। যদিও এনআইটির ডাইরেক্টর অরবিন্দ চৌবে বলেন,”ওই পড়ুয়ার মৃত্যুতে আমরাও শোকাহত। কী কারণে মৃত্যু তা খতিয়ে দেখার জন্য কমিটিও গঠন করা হবে।” আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিসি (পূর্ব) অভিষেক গুপ্তা জানান, “ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্ত শুরু হয়েছে।”

[আরও পড়ুন: বঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কি শুভেন্দু? সোজাসাপ্টা জবাব দিলীপ ঘোষের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.