Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

রাখি বন্ধন উৎসবের টাকার দাবিতে পড়ুয়াদের ভাঙচুর, ক্যাম্পাসিং বানচাল সিউড়ির কলেজে

উত্তেজনা হেতমপুরের কৃষ্ণচন্দ্র কলেজে৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৯, ১৩:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৯, ১৩:৫৬

options
link
রাখি বন্ধন উৎসবের টাকার দাবিতে পড়ুয়াদের ভাঙচুর, ক্যাম্পাসিং বানচাল সিউড়ির কলেজে zoom
Advertisement

নন্দন দত্ত, সিউড়ি:  রাখি বন্ধনের টাকা না পাওয়ায় কলেজে ক্যাম্পাসিং করতে আসা একটি কোম্পানিকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ছাত্রদের বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে সিউড়ির হেতমপুরের কৃষ্ণচন্দ্র কলেজে। ঘটনায় দুঃখ করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ গৌতম চট্টোপাধ্যায়৷ তিনি বলেন, ‘‘এতে কলেজের যেমন নাম পুড়ল। তেমনই ওই কোম্পানিটি একটা ভুল বার্তা নিয়ে ফিরে গেল। তাতে আখেরে ভবিষ্যতের ক্ষতি হল ছাত্র-ছাত্রীদের।’’

[ আরও পড়ুন: পথ কুকুরদের মাংস-ভাত খাওয়াতে ৩ লক্ষ টাকা ঋণ নিলেন কল্যাণীর মহিলা]

Advertisement

জানা গিয়েছে,  মঙ্গলবার কলকাতা একটি নামী সংস্থা ক্যাম্পাসিংয়ের জন্য কলেজে এসেছিল। সরাসরি কলেজ থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের বেছে নিয়ে, প্রশিক্ষণের পরে তাঁদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাই, সংস্থাটির উদ্দেশ্যে ছিল। অভিযোগ, ক্যাম্পাসিং শুরু হতেই জনা কয়েক ছাত্র এসে কলেজে হইহট্টগোল শুরু করেন। ভাঙচুর চালানো হয় কলেজে। গোটা কলেজজুড়ে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। অধ্যক্ষকে কলেজের অফিসের মধ্যে আটকে রাখা হয়। অধ্যক্ষ গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেন,  ‘‘হেতমপুরের এই কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে মাল্টিন্যাশানাল কোম্পানির প্রতিনিধিরা আসে। কিন্তু কলেজের চারজন ছাত্র এসে টাকা দাবি করে। তাদের দাবি, রাখিবন্ধন উৎসবে আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সে টাকা দিতে হবে।’’ অধ্যক্ষ জানান, কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি তথা মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ, কারও হাতে একক সিদ্ধান্তে টাকা তুলে দেওয়া যাবে না। সেকথা জানানোর পরেই ছাত্ররা কলেজে ভাঙচুর চালায়। ফলে এই ঘটনায় কলেজের ভাবমূর্তির সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতও নষ্ট হল।’’

[ আরও পড়ুন: হুঁশ ফিরল প্রশাসনের, নুন-ভাতের পরিবর্তে পড়ুয়াদের পাতে ডিম-ভাত ]

এই ঘটনায় কলেজের বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের পাশের দাঁড়ায়নি শাসকদলের তৃণমূল ছাত্র পরিষদও। কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যারা কলেজের পরিবেশ নষ্ট করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

প্রসঙ্গত, কিছুতেই বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না হেতমপুর কৃষ্ণচন্দ্র কলেজে। কিছুদিন আগেই কলেজের ভরতি প্রক্রিয়াকে ঘিরে অশান্তি হয়। অধ্যাপক তপ্ন গোস্বামীকে হেনস্থা করে ছাত্র-ছাত্রীরা। প্রতিবাদে আংশিক সময়ের জন্য ক্লাস বয়কট করেন অধ্যাপকরা।

ছবি শান্তনু দাস

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.