Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Sukanta Majumdar

‘হিন্দু দেবদেবীরাও কি জঙ্গি?’ বাড়িতে অস্ত্র রাখা মন্তব্যে বিতর্ক শুরু হতেই সাফাই সুকান্তর

নিজের মন্তব্যে অনড়, সাফ জানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৫, ২১:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৫, ২১:৪২

options
link
‘হিন্দু দেবদেবীরাও কি জঙ্গি?’ বাড়িতে অস্ত্র রাখা মন্তব্যে বিতর্ক শুরু হতেই সাফাই সুকান্তর zoom
ফাইল ছবি।

শেখর চন্দ্র, আসানসোল: ”সন্তানকে ভালো ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করার আগে ভালো হিন্দু বানান। ধর্ম রক্ষায় বাড়িতে রাখুন অস্ত্র”। এসব নিদান দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর ওই বক্তব্যকে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ‘জঙ্গির মত কথা’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার প্রেক্ষিতে আসানসোল দক্ষিণে দলীয় কর্মসূচিতে এসে সুকান্ত মজুমদার নিজের বক্তব্যর সাফাই দিতে গিয়ে পালটা প্রশ্ন তোলেন, “সব হিন্দু দেবদেবীর হাতেই অস্ত্র রয়েছে। তাহলে দেবদেবীরাও কি জঙ্গি? হিন্দুরা কোথাও বোমা ফাটাতে যায় না। হিন্দু আত্মঘাতী বাহিনী বলে কিছু হয় না। শিখ সম্প্রদায়ের ভাইয়েরা কৃপান রাখেন। এটা হিন্দু সংস্কৃতির অঙ্গ। শাস্ত্রে আছে, দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন। তার জন্য অস্ত্রের প্রয়োজন। তাই হিন্দুদের বাড়িতে ধারালো অস্ত্র রাখা উচিত বলে মনে করি।” তাঁর আরও প্রশ্ন, মহরমে তাহলে অস্ত্র খেলা দেখানো হয় কেন?

রবিবার আসানসোল দক্ষিণে দামোদরের তীরে দলীয় পিকনিকে অংশ নিতে এসেছিলেন সুকান্ত মজুমদার। স্থানীয় বিধায়ক অগ্রিমিত্রা পালের আহ্বানে তিনি এসেছিলেন এদিন। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঘরে অস্ত্র রাখা সংক্রান্ত নিজের মন্তব্যের সাফাই দিয়ে বলেন, ”হিন্দু দেবদেবীর হাতে অস্ত্র আছে। মহরমে অস্ত্র খেলা হয়। শিখদের কৃপাণ আছে। এসব ভেবেই আমি এই কথা বলেছি। আমি আমার বক্তব্যে অনড়।” তাঁর আরও বক্তব্য, ”বাংলায় এখন নাম জেহাদ চলছে। আগে আমরা ল্যান্ড জেহাদ ও লাভ জেহাদের কথা জানতাম। কিন্তু এখন ওপার বাংলা থেকে আমাদের দেশে, বিশেষ করে পশ্চিমবাংলায় এসে নাম বদল করে নিচ্ছে।”

Advertisement

এ প্রসঙ্গে মুম্বইয়ে নিজের বাড়িতে সইফ আলি খানের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ”ঘটনায় মহারাষ্ট্র পুলিশ যাকে গ্রেপ্তার করেছে, সে বিজয় দাস-সহ একাধিক নাম বলেছে। আমাদের ধারণা, বাংলাদেশের থেকেই সে এসেছে। তার দাবি, আইএসআই মতো আন্তর্জাতিক উগ্রবাদী সংগঠন একসময় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা বাংলাদেশ বা অন্য দেশ থেকে লোকেদের বাংলায় পাঠাবে। এখানে হিন্দুদের নাম নিয়ে বিভিন্ন মন্দিরে যাবে এবং সেখানে সব শেখার পরে নাশকতার মতো নানা ধরনের কাজকর্ম করবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.