Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Namkhana

নামখানায় নদী বাঁধে ভাঙন, পরিদর্শনে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী!

মঙ্গলবার নামখানার নারায়ণগঞ্জ এলাকায় নদীবাঁধ সংস্কারের সময় নদীতে ধস নামে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৪, ১৮:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৪, ১৮:৩৭

options
link
নামখানায় নদী বাঁধে ভাঙন, পরিদর্শনে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী! zoom
বাঁধ পরিদর্শনে মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা।

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: নামখানার নারায়ণগঞ্জে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। বৃহস্পতিবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বেশ কিছুক্ষণ পর আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। তবে মন্ত্রীর দাবি, বিক্ষোভ নয়, স্থানীয়রা তাঁকে সমস্যার কথা জানিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

মঙ্গলবার নামখানার নারায়ণগঞ্জ এলাকায় নদীবাঁধ সংস্কারের সময় নদীতে ধস নামে। চালক-সহ জেসিবি মেশিন নদীগর্ভে চলে যায়। কোনওমতে প্রাণে বাঁচেন চালক। বৃহস্পতিবার সেই ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা। তাঁকে ঘিরে ধরেন স্থানীয়রা। নিজেদের অভাব-অভিযোগ নিয়ে রীতিমতো সুর চড়ান। 

Advertisement
ছবি: সুরজিৎ দেব

স্থানীয় বাসিন্দা সুতপা বেরা বলেন, “এই নদীবাঁধে ৬ কোটি খরচ হয়েছে। কিন্তু কাজ ঠিক মতো হয়নি। সেই কারণেই নদীবাঁধ ভেঙে যাচ্ছে। খুব আতঙ্কে আছি। আমরা চাই নদীবাঁধের নিচের দিকে ভালো মতো কাজ হোক। মন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। ২২ তারিখে বাকিটা জানাবেন।” আরেক বাসিন্দা জয়ন্তী বেরা বলেন, “এর আগে একটি মেয়ে ধসের কারণে তলিয়ে গিয়েছিল। মঙ্গলবার কাজ করার সময় জেসিবি-সহ চালক নদীতে তলিয়ে যায়। চালক কোনওমতে রক্ষা পায়। বার বার এই রকম ঘটছে। নদী বাঁধ ভালো করে সারানো হোক।”

বাসিন্দাদের অভিযোগ শোনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, “বাঁধ দিয়ে গ্রামে জল ঢুকছিল। তাতে চাষের জমি ও ঘরবাড়ির ক্ষতি হচ্ছিল। সেই ঘটনা জানার পর জরুরি ভিত্তিতে বাঁধের মেরামতির কাজ শুরু হয়। সেই সময় একটি জেসিবি নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। আমি জানতে পেরে এখানে এসেছি। স্থানীয়রা সমস্যার কথা বলেছেন। সমাধানে সচিবের সঙ্গেও কথা বলেছি। গ্রামবাসীদের কাছে একটু সময় চেয়েছি। স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে। বিষয়টিকে গুরত্ব দিয়ে দেখছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.