Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Mangalkot TMC leader murder case

মঙ্গলকোটে TMC নেতা খুনের তদন্তের দ্রুত জাল গোটাচ্ছে CID, এবার গ্রেপ্তার সুপারি কিলার

দিল্লি থেকে মূলচক্রী গ্রেপ্তারির পরই ধৃত সুপারি কিলার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২১, ১৫:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২১, ১৫:৫১

options
link
মঙ্গলকোটে TMC নেতা খুনের তদন্তের দ্রুত জাল গোটাচ্ছে CID, এবার গ্রেপ্তার সুপারি কিলার zoom
ছবি: জয়ন্ত দাস
Advertisement

ধীমান রায়, কাটোয়া: মঙ্গলকোটে তৃণমূল নেতা অসীম দাস খুনের (Mangalkot TMC Leader Murder Case) ঘটনার মাষ্টারমাইন্ড শেখ রাজুকে দিল্লি থেকে গ্রেপ্তারের পরই CID’র হাতে ধরা পড়ল আরও এক দুষ্কৃতী। ধৃত বছর পঁচিশের শেখ বাবুল ওরফে শেখ খোকন। তার বাড়ি বীরভূমের বোলপুর থানার ঘিদহ গ্রামে। শুক্রবার রাতে তাকে ওই গ্রাম থেকেই গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।

সিআইডির তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, অসীম দাসকে খুনের জন্য শেখ বাবুলকে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা সুপারি দিয়েছিল শেখ রাজু। রাজু পেশায় কাঠমিস্ত্রি। কিন্তু কাঠের কাজের আড়ালে রাজু অস্ত্র ব্যবসা করত বলেই ধারণা তদন্তকারীদের। বাবুল ওরফে খোকন এই খুনে আর কার সাহায্য নিয়েছিল তা জানতে ধৃতদের জেরা করবেন তদন্তকারীরা। শনিবার শেখ রাজু এবং খোকন শেখকে কাটোয়া মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাদের ১৪ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করে সিআইডি। বিচারক ১০ দিনের সিআইডি হেফাজত মঞ্জুর করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে TMC পঞ্চায়েত সদস্য খুনে মূল অভিযুক্তের সঙ্গে পুলিশের গুলির লড়াই, জখম ১]

গত ১২ জুলাই সন্ধেয় কাশেমনগর বাজার থেকে সিউর গ্রামে বাড়ি ফেরার পথে বাইক দাঁড় করিয়ে গুলি করে খুন করা হয় লাখুরিয়া অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি অসীম দাসকে। নিহতের ছেলে সুনন্দ দাস অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নামার পর তিনদিনের মধ্যে এই মামলার তদন্তভার সিআইডিকে দেয় রাজ্য প্রশাসন। খোকন শেখকে নিয়ে এই মামলায় এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার মোট ৫ জন। ১৪ জুলাই পুলিশ গ্রেপ্তার করে সাবুল শেখ ও সামু শেখকে। তারপর সিআইডি মঙ্গলকোটের কোটালঘোষ গ্রামের রফিকুল শেখকে গ্রেপ্তার করে আউশগ্রামের ফতেপুর থেকে। বৃহস্পতিবার রাতে দিল্লির ভজনপুরা এলাকা থেকে এই খুনের মাষ্টারমাইন্ড রাজু শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরেরদিন শেখ রাজুকে কাটোয়ায় নিয়ে আসা হয়। তারপর শুক্রবার রাতেই ধরা পড়ে শেখ খোকন। তদন্তভার নেওয়ার পর থেকেই সিআইডি মোবাইল ফোন ও মোবাইলের টাওয়ার লোকেশনের উপর ভিত্তি করে তদন্ত এগোয়। কাজে লাগানো হয় একাধিক সূত্রকেও। নিহতের আত্মীয় পরিজন, প্রতিবেশীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ওই তৃণমল নেতার পরিবার।

[আরও পড়ুন: Jute Mill job: স্কুলছুটদের ভিনরাজ্যে যাওয়া রুখতে জুটমিলে চাকরির উদ্যোগ রাজ্যে]

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.