Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Suvendu Adhikari Amit Shah

অমিত শাহর সঙ্গে যোগাযোগ ২০১৪ থেকেই! যোগদান মঞ্চে বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

'আত্মসম্মান থাকলে তৃণমূলে থাকিস না', শুভেন্দুকে বলেছিলেন মুকুল রায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২০, ১৬:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২০, ১৬:৩০

options
link
অমিত শাহর সঙ্গে যোগাযোগ ২০১৪ থেকেই! যোগদান মঞ্চে বোমা ফাটালেন শুভেন্দু zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিচয়টা আজকের নয়। সেই ২০১৪ সাল থেকেই চেনাজানা। অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে ‘পূর্বপরিচয়ের’ কথাটা শনিবার জনসভায় ফাঁস করে দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়া মুকুল রায়ের সঙ্গেও তাঁর নিয়মিত কথা হত বলে জানালেন শুভেন্দু। এরপরই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। 

তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে দল ছেড়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে দল বদলেছেন একঝাঁক তৃণমূল নেতা-নেত্রী। শুভেন্দুকে নিজেদের নেতা মেনে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন ছয় তৃণমূল বিধায়ক, এক সাংসদও। তবে এই যোগদান একেবারেই আকস্মিক বা কাকতালীয় নয় বলেই দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশ। 

Advertisement

উল্লেখ্য, এদিন যোগদানের মঞ্চ থেকে শুভেন্দু বলেন, “২০১৪ সাল থেকেই অমিত শাহজির সঙ্গে পরিচয়। সিদ্ধার্থনাথ সিংয়ের দৌলতেই দেখা হয়েছিল তাঁর সঙ্গে। তবে সিদ্ধার্থজি আমাকে বিজেপিতে যোগ দিতে বলেননি।  মুকুল রায়ের সঙ্গেও কথা হত। উনি বারবার বলেছেন, মাথা নিচু করে অপমান সহ্য করে থাকিস না। চলে আয়। আমরা তোকে সম্মান দিয়ে দলে নেব।” শুভেন্দুর এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

[আরও পড়ুন : ‘তোলাবাজ ভাইপো হটাও’, বিজেপিতে যোগ দিয়ে তৃণমূল বিরোধিতার সুর বেঁধে দিলেন শুভেন্দু]

২০১৪ সালে দিল্লিতে সরকার গড়েছিল এনডিএ। এরপর থেকেই বারবার বাংলা দখলের চেষ্টা চালিয়েছে গেরুয়া শিবির। তবে ২০১৬ সালের বিধানসভায় পর্যদুস্ত হয় তাঁরা। তবে তাদের ভোট শতাংশ আশা জাগিয়েছিল। তৃণমূলের ‘চাণক্য’ বলে একদা পরিচিত মুকুল রায়কে দলে টেনে ঘাসফুল শিবিরকে প্রথম বড়ধাক্কা দিয়েছিল বিজেপি। অভিযোগ, এরপর থেকেই দলে ধীরে ধীরে ভাঙন ধরাতে শুরু করেন সেই চাণক্যই। এদিন প্রাক্তন মন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি  সেই সময় থেকে শুভেন্দুর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছিল বিজেপি? আর তাঁদেরই নির্দেশে গোপনে দলের অন্দরে নিজের ক্ষমতা বাড়াচ্ছিলেন মেদিনীপুরের একচ্ছত্র অধিকারী? উল্লেখ্য, লোকসভার আগে দলবদলের হিড়িক পড়লেও জার্সি বদলাননি শুভেন্দু।  তবে ঝাড়গ্রাম ও মেদিনীপুরের একাংশে অভাবনীয় ভাল ফল করে বিজেপি। যার নেপথ্য অন্য গন্ধ রয়েছে বলে মনে করেন কেউ কেউ।

লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই দলের সঙ্গে ক্রমশ দূরত্ব বাড়তে শুরু করে শুভেন্দুর। তাহলে তখন থেকেই কি রাজনৈতিক জল মাপছিলেন তিনি? ঘর ঘুছিয়ে দল ছাড়ার মানসিক প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছিলেন? অবশেষে ২২ বছরের সম্পর্ক ছেদ করে শনিবার নিজের পুরনো দলকে ক্ষমতা থেকে হঠানোর ডাক দিলেন সেই শুভেন্দু অধিকারীই। কিন্তু এখন লাখ টাকার প্রশ্ন হল, দলবদলের চিত্রনাট্য কি তাহলে ছ’বছর আগেই লেখা হয়েছিল? হয়তো আগামীদিনে এই উত্তর মিলবে। 

[আরও পড়ুন : ‘মা-মাটি-মানুষের স্লোগান তোলাবাজি-ভাইপোরাজে বদলে গিয়েছে’, মেদিনীপুর থেকে তোপ শাহর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.