নন্দীগ্রামে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেবাশ্রয় মডেলের বিপুল সাফল্য, তার পরপরই সমবায় ভোটে শাসকশিবিরের বিপুল সাফল্য। জোড়া ধাক্কা খেয়ে ফের বিভাজনের রাজনীতি শুরু করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী! সোমবার এলাকায় গিয়ে হিন্দুদের একতার বার্তা দিয়ে তাঁর বার্তা, ”এখানকার জিহাদি-মৌলবাদীদের একদম আলাদা করে দাও।” রবিবার রানিচক সমবায় ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর দেখা যায়, ৪৫ টি আসনের মধ্যে ২৮টিই জিতে গিয়েছে তৃণমূল। বিজেপির কার্যত ভরাডুবি হয়েছে। এরপরই ‘শঙ্কিত’ শুভেন্দু অধিকারীর এহেন বার্তা বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
রবিবার রানিচক সমবায়ে তৃণমূলের জয়ের পর রাতেই বিজেপির সমর্থকদের বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। সোমবার সকালে নন্দীগ্রামে আক্রান্তদের বাড়িতে হাজির হন এলাকার বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হিন্দুদের এককাট্টা হওয়ার বার্তা তিনি। প্রত্যেক হিন্দু বাড়িতে ধ্বজা ওড়ানো ছাড়াও এলাকা সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলার কথা বলেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, “সব হিন্দু ঘরে ধ্বজ লাগাতে হবে কাল সকালের মধ্যে। এখানকার জিহাদি-মৌলবাদীদের একদম আলাদা করে দাও। সমস্ত জায়গায় সিসিটিভি লাগাও। কলকাতা থেকে ভাল ক্যামেরা নিয়ে এসো। যত টাকা লাগে আমি দেব। সব সিসিটিভির নিয়ন্ত্রণ থাকবে আমার এমএলএ অফিসে। সব মন্দিরে মাইক লাগাও। শাঁখ বিতরণ করো গোটা গ্রামে।”
আরও পড়ুন:
বিরোধী দলনেতার কথায়, “সব হিন্দু ঘরে ধ্বজ লাগাতে হবে কাল সকালের মধ্যে। এখানকার জিহাদি-মৌলবাদীদের একদম আলাদা করে দাও। সমস্ত জায়গায় সিসিটিভি লাগাও। কলকাতা থেকে ভাল ক্যামেরা নিয়ে এসো। যত টাকা লাগে আমি দেব। সব সিসিটিভির নিয়ন্ত্রণ থাকবে আমার এমএলএ অফিসে। সব মন্দিরে মাইক লাগাও। শাঁখ বিতরণ করো গোটা গ্রামে।”
সমবায় ভোটে তৃণমূলের জয়ের পর থেকেই নতুন অক্সিজেন পেয়েছে নন্দীগ্রামের ঘাসফুল শিবির। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশের মতে, ‘অপারেশন নন্দীগ্রাম’ তৃণমূলের ভরসা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মডেল সেবাশ্রয়। সেবাশ্রয় ক্যাম্পের পরেই নন্দীগ্রামের রানিচক সমবায় সমিতিতে ভোট হয়েছে। সেই ভোটে জয় পেয়েছে রাজ্যের শাসকদল, শুভেন্দুর নিজের গড়ে পরাজিত বিজেপি। ইতিমধ্যেই বীরভূম মডেলে পূর্ব মেদিনীপুরেও তৃণমূলের কোর কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নন্দীগ্রামে শুভেন্দুকে কুপোকাত করতে দলের ‘সেনাপতি’ নতুন করে রণকৌশল সাজাচ্ছেন বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আর তার মোকাবিলায় বিরোধী দলনেতার হাতিয়ার এই বিভাজনের রাজনীতি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এবার বিমানেই ক্রিকেট শচীনের, ‘আউট করতে পারবে না’, মাঝ আকাশে কাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন?
-
১৬ বছরের বর্ণাঢ্য কেরিয়ারে ইতি, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় কেন উইলিয়ামসনের
-
ভারতীয় নাবিকদের উপর লাগাতার আক্রমণ আমেরিকার, মার্কিন দূতকে তলব নয়াদিল্লির
-
৫১টি সরকারি আইটিআইয়ের আধুনিকীকরণ, পিপিপি মডেলে নতুন ‘রোডম্যাপ’ ঘোষণা কারিগরিমন্ত্রী জগন্নাথের
-
‘একটা কমিউনিটি যখন…’, ধর্মীয় উসকানিমূলক মন্তব্যে মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর