Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

অকাল বোধনের পরেই রামচন্দ্রের অকাল রথযাত্রায় মাতল বাঁকুড়া

রামচন্দ্রের বিজয়রথ আর রাবণ কাটা উৎসব দেখতে ঢল নেমেছে মানুষের!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৬, ১২:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৬, ১২:৪৪

options
link
অকাল বোধনের পরেই রামচন্দ্রের অকাল রথযাত্রায় মাতল বাঁকুড়া zoom

টিটুন মল্লিক: রাবণ বধের পর রামচন্দ্রের অযোধ্যা ফেরাকে প্রতীকী করে অকাল রথযাত্রা উৎসবে মাতল বাঁকুড়ার ওন্দার তপোবন৷ শুরু হল আটদিনব্যাপী রথযাত্রা উৎসব৷ বৃহস্পতিবার উৎসবের প্রথমদিন শামিল হলেন বাঁকুড়ার জেলার বাসিন্দারা৷ পংক্তিতে বসে পাত পেড়ে খেলেন খিচুড়ি ভোগ৷ যদিও এককালের পিতলের তৈরি রথ আজ আর নেই৷ নেই সোনায় গড়া রাম, লক্ষ্মণ, সীতার মূর্তি৷ এখন অষ্টধাতুর গড়া তিন মূর্তি রথের সিংহাসনে বসিয়ে রথযাত্রা হয়৷
অন্যদিকে মন্দিরনগরী বিষ্ণুপুরে রাবণ নিধন করে রামের যুদ্ধ জয়ের উল্লাসে দশমীর দিন থেকে দ্বাদশী পর্যন্ত শহরের অলিগলিতে চলছে ‘রাবণকাটা’ উৎসব৷ এই উৎসবে হাজারও রঙবাহারি পোশাক আর ঝাঁজ, কাঁসি, টিকারার করতানে মজে আছে শহর৷ বিষ্ণুপুরের ইতিহাসবিদ চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্ত জানান, প্রায় তিনশো বছরের পুরনো রীতি ‘রাবণ কাটা’ নাচের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মল্লরাজাদের স্মৃতি৷ সপ্তদশ শতকে মল্লরাজাদের তৈরি রঘুনাথজিউ মন্দিরে এই নাচ হত৷
সেই তুলনায় তপোবনের রামচন্দ্রের রথযাত্রা নবীন৷ সে কথা স্বীকার করলেও পুরোহিত বিপদতারণ চক্রবর্তী জানান, মল্লরাজাদের ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে গিয়েছে তপোবনের এই রামচন্দ্রের রথযাত্রা৷ প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ রামচন্দ্রের রথযাত্রা দেখতে আসেন৷ দুর্গাপুজো উপলক্ষে ছুটির মরসুমে ছোটনাগপুর মালভূমিতে রামচন্দ্রের বিজয়রথ আর রাবণকাটার মতো মল্লবংশের প্রাচীন ঐতিহ্যগুলিকে পর্যটকদের কাছে তুলে ধরলে আকর্ষণ বাড়বে বলে মনে করছেন এই এলাকার বাসিন্দারা৷ তপোবনের রথযাত্রা উদ্যোক্তা কমিটির সম্পাদক নিরঞ্জন পাত্র বলেন, “মল্লরাজাদের বহু অজানা ইতিহাসের প্রতি মানুষের মধ্যে কৌতূহল আজও সমানভাবে বজায় রয়েছে৷ এই টুকরো টুকরো স্মৃতিকে কোলাজ করে পর্যটন শিল্পে কাজে লাগালে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়বে বলে মনে হয় আমাদের৷”
তপোবনের এই রথযাত্রা ঘিরে আটদিন ধরে রথযাত্রার সময় সন্ধে সাড়ে সাতটা থেকে আটটা পর্যন্ত আশপাশের গ্রামগঞ্জ থেকে সব মিলিয়ে প্রায় হাজার বিশেক মানুষের জমায়েত হয়৷ প্রতিদিন সন্ধ্যায় হয় আরতি৷ গ্রামবাসীরা জানালেন, সংস্কার, বিশ্বাস যাই হোক না কেন- রামচন্দ্রের বিজয়রথ এখন তপোবনের ঐতিহ্য৷

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.