নন্দন দত্ত, সিউড়ি: পুরসভা কর আদায় করছে কিন্তু তা জমা পড়ছে না পুরখাতে। পুরকর আদায়ের এমন দুর্নীতিতে আশঙ্কার মেঘ জমতে শুরু করেছে সিউড়ি পুরসভায়। কেমন ভাবে চলবে পুরসভার কাজকর্ম চিন্তায় পড়েছেন আধিকারিকরা৷ বিপুল দুর্নীতির জেরে বন্ধ রাখা হয়েছে পুরসভার বানিজ্য কর বা ট্রেড লাইসেন্স বাবদ কর আদায়। অভিযোগের আঙুল উঠেছে পুরসভার একশ্রেণির কর্মীদের দিকে৷ অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে সিউড়ি থানায়৷
[টিকিট কাটা নিয়ে বচসা, বারুইপাড়া স্টেশনে মহিলা যাত্রীকে চড় রেলের বুকিং ক্লার্কের]
পুরকর্মীদের হাতে কর জমা দেওয়া সিউড়ি পুরসভার দীর্ঘদিনের রীতি৷ বিভিন্ন দোকান ও বাড়ি থেকে কর আদায় করে নিয়ে আসে কর্মীরা৷ সম্প্রতি দত্তপুকুরের দীপাঞ্জন দত্ত নামে এক ঠিকাদার তাঁর দুটি সংস্থার জন্য বাণিজ্য কর জমা দিতে এমনই এক পুরকর্মীকে টাকা দেন। কিন্তু টাকা জমা করার কোনও রসিদ দীপাঞ্জন দত্তকে দেননি সেই কর্মী। কয়েকদিন আগে ঠিকাদার ব্যক্তিটি সিউড়ি পুরসভায় গেলে জানতে পারেন তাঁর সংস্থার নামে কোনও করই জমা পড়েনি পুরখাতে। ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ তিনি জানান পুরসভার আধিকারিকদের৷ তদন্তে নেমে পুরপ্রশাসকরা জানতে পারেন, কর আদায় সংক্রান্ত একটি বড় চক্র কাজ করছে পুরসভায়৷ সব কর্মীদের নিয়ে তড়িঘড়ি বৈঠকে বসেন উপপুরপ্রধান। পুরকর্মীরা অস্বীকার করলেও পুরসভা সূত্রে খবর, এভাবেই লাখ লাখ টাকার পুরকর আদায় হয়েও তা জমা পড়েনি। বিষয়টি সদর মহকুমা শাসককে জানিয়ে সঙ্গে সঙ্গে সিউড়ি থানায় অভিযোগ জানানো হয়।
[ফাঁকা বাড়িতে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ]
সদর মহকুমা শাসক কৌশিক সিনহা জানান, পুলিশকে দ্রুত এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং বন্ধ রাখা হয়েছে বাণিজ্য কর আদায়৷ ফলে কর দিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন অনেক ব্যবসায়ী। উপপুরপ্রধান বিদ্যাসাগর সাউ বলেন, এখন থেকে পুরসভায় টাকা পয়সা দিলেই তার রসিদ নিতে হবে। নচেৎ পুরসভা তার জন্য দায়ী থাকবে না। পুরপ্রধান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় জানান, পুলিশি তদন্ত শেষ হলেই দু-একদিনের মধ্যে বাণিজ্য কর আদায় প্রক্রিয়া খোলা হবে।
ছবি: বাসুদেব ঘোষ
সর্বশেষ খবর
-
সুদিন ফেরাতে আস্থা ‘দ্য নর্মাল ওয়ানে’, জার্মানির কোচ হিসাবে দায়িত্ব নিলেন ক্লপ
-
‘এবার কোর্টে দেখা হবে…’, নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াতেই কাকে নোটিস পাঠালেন সায়নী?
-
‘সাবধান! ভুলেও অপরিচিতের সঙ্গে যাবে না’, বারুইপুর থেকে শিক্ষা নিয়ে সচেতনতার পাঠ হাওড়ার স্কুলে
-
৬০০-র বেশি ক্ষুব্ধ জনতার হামলা, একের পর এক বাড়িতে আগুন! ফের রণক্ষেত্র মণিপুর
-
বেঙ্গালুরু থেকে রাতে ফিরেছিল, সকালে বাড়ির কাছেই আমবাগানে পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ!