৯ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

চেয়েও চা পেলেন না রাহুল সিনহা, তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 19, 2018 12:51 pm|    Updated: January 19, 2018 12:51 pm

An Images

সন্দীপ মজুমদার, উলুবেড়িয়া: গিয়েছিলেন ভোট প্রচারে। বিস্তর হাঁকডাকের পর রাহুল সিনহা গলা ভিজিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। চায়ের দোকানে চা পান এবং তার মধ্যে দিয়ে কর্মীদের সঙ্গে জনসংযোগ ঝালিয়ে নেওয়ার ইচ্ছে ছিল বিজেপি নেতার। কিন্তু বিধি বাম। কোনও দোকানিই চা দিতে চাইলেন না। চা না পেয়ে রাজ্য সরকারের দিকে সন্ত্রাসের অভিযোগ হল্লা জুড়ে দিলেন রাহুল।

RAHUL NO TEA 2

[ক্ষোভে ফুঁসছে বাসন্তী, চড়াবিদ্যায় গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পুলিশ]

শুক্রবার এই ঘটনায় উলুবেড়িয়া লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের উত্তাপ খানিকটা বেড়ে যায়। চা না পেয়ে রীতিমতো হল্লা জুড়ে দেন রাহুল সিনহা। ঠিক কী হয়েছিল এদিন? দলীয় প্রার্থী অনুপম মল্লিককে নিয়ে এদিন প্রচারে বেরিয়েছিলেন বিজেপি নেতা রাহুল। উদয়নারায়ণপুরের ডিহিভূরসু থেকে রাজাপুর পর্যন্ত মিছিল হয়। প্রায় চার কিলোমিটার হাঁটার পর রাজাপুরে থামেন গেরুয়া শিবিরের কর্মী, সমর্থকরা। রাহুল সিনহার জন্য চা আনতে যান বিজেপি কর্মীরা। কিন্তু দোকানদার চা দিতে চাননি। এরপর রাহুল দোকানে যান। তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিজেপি নেতার দাবি, দলের কর্মীরা চা আনতে দোকানে গিয়েছিলেন। কিন্তু দোকান থেকে তাদের ফিরিয়ে দেয়। প্রত্যেকেই জানিয়ে দেওয়া চা বিক্রি নেই। তবে এই ঘটনায় বিজেপি নেতা বিক্রেতাদের কোনও দোষ দেখছেন না। রাহুল সিনহার সংযোজন, চা দোকানিরা তাঁকে জানায় মন থেকে তারা এই কাজ করছে না। কারণ রাহুল সিনহা চা খাওয়ার পর চলে গেলে তাদের দোকান লুটপাট হবে। তাই রাহুলদের হাতজোড় করে চলে যেতে বলা হয়। পাশাপাশি বিজেপি নেতা অভিযোগ করেন বর্তমান শাসকের সৌজন্যে রাজ্য গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে চা বিক্রির পর্যন্ত অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে তিনি নালিশ জানিয়েছেন।

[বিচারকের দাওয়াইয়ে কাজ, মিষ্টিমুখে পুনর্মিলন সিউড়ির দম্পতির]

তবে চা নিয়ে হল্লা বাঁধালেও বিজেপির এই বক্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে না শাসক দল। স্থানীয় বিধায়ক সমীর পাঁজা জানান, অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাঁর পালটা প্রশ্ন কে কাকে চা বিক্রি করবে তা তৃণমূল কেন ঠিক করবে। রাহুল সিনহার প্রতি ওই বিধায়কের পরামর্শ সমস্যা হলে তাঁকে ফোন করলে চায়ের ব্যবস্থা হয়ে যেত। শুক্রবার রাজাপুরে ভরা বাজারে এভাবে চায়ে পে চর্চা থমকে যাওয়ায় বিজেপি নেতাদের কার্যত মুখ পুড়েছে। তবে মুখে অবশ্য তা কেউ মানছেন না।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement