Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Calcutta HC

রাজবংশী স্কুলেও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি! হাই কোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে মামলা

আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৪, ১৪:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৪, ১৪:২২

options
link
রাজবংশী স্কুলেও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি! হাই কোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে মামলা zoom
Advertisement

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: আরও এক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা গড়াল আদালতে। এবার নিয়ম বহির্ভূতভাবে রাজবংশী (Rajbangshi)স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ। এনিয়ে রাজবংশী ভাষা অ্যাকাডেমির কাছে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta HC) জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলে খবর।

রাজবংশী ভাষার শিক্ষকরা মামলা দায়ের করেন হাই কোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে। নিজস্ব চিত্র।

অভিযোগ, ২০১১ সাল থেকে যাঁরা রাজবংশী স্কুলে শিক্ষকতা করছিলেন, সেই সব স্কুল এবং শিক্ষকদের স্বীকৃতি না দিয়ে অস্তিত্বহীন এমন কিছু রাজবংশী স্কুলকে রাতারাতি স্বীকৃতি দেওয়া এবং সেখানে ৭৮০ জন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। এই অভিযোগে বিদ্ধ রাজবংশী ভাষা অ্যাকাডেমি অ্যান্ড কালচারাল বোর্ডের চেয়ারম্যান বংশীবদন বর্মন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এই নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে মামলা দায়ের করে রাজবংশী ভাষা শিক্ষা সংসদ। মামলাকারী নুলাল রায় বলেন, ”আমরা ২০১১ সাল থেকে রাজবংশী স্কুলগুলিতে আমরা চাকরি করছি। কিন্তু রাজবংশী অ্যাকাডেমি বোর্ডের চেয়ারম্যান বংশীবদন বর্মন সেসব স্কুলকে অনুমোদন না দিয়ে অন্যান্য সব স্কুল, যেসব আদৌ স্কুলও নয়, সেখানে শিক্ষক নিয়োগ (Teacher recruitment) করেছেন। আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে আজ মামলা করলাম।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: আড়াই দশক ধরে কলকাতা কাঁপাচ্ছে ‘৪০৭ গ্যাং’! অবশেষে জালে দুই মাথা]

বৃহস্পতিবার বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে মামলা ওঠে। বিচারপতি আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে রাজবংশী ভাষা অ্যাকাডেমি অ্যান্ড কালচারাল বোর্ডকে এসব স্কুলের অনুমোদন এবং নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত রকমের কাগজপত্র আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান আইনজীবী নবীন বারিক। তাঁর কথায়, ”আমাদের কয়েকটি প্রশ্ন রয়েছে। যেসব স্কুলকে অনুমোদন দেওয়া হল না এবং যেসব স্কুল অনুমোদন পেয়ে সেখানে শিক্ষক নিয়োগ হল, তার কী ভিত্তি? কবে ইন্টারভিউ হল, কারা নিয়োগ পেলেন? এসব জানতে চেয়ে মামলা করেছি। বিচারপতি বসুর বেঞ্চে মামলাটি উঠেছিল। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে উনি সংসদের কাছে সমস্ত রিপোর্ট চেয়েছেন।” জানা যাচ্ছে, তার পর মামলার শুনানি হবে।

[আরও পড়ুন: মোদি তো চড়লেন, সাধারণের জন্য কবে দরজা খুলবে গঙ্গার তলার মেট্রো?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.