Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে ঝামেলা, পড়ুয়াদের চাপে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন শিক্ষক

অভিযোগ তুলে বিপাকে, শিক্ষকের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রধান শিক্ষকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৪, ১৫:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৪, ১৫:০১

options
link
প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে ঝামেলা, পড়ুয়াদের চাপে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন শিক্ষক zoom

শুভদীপ রায় নন্দী, শিলিগুড়ি: এবিটিএ-এর টেস্ট পেপার বিক্রি করছেন প্রধান শিক্ষক। এই অভিযোগ তুলে স্কুল চত্বরে শোরগোল তুলে নিজেই বিপাকে পড়লেন দার্জিলিংয়ের একটি স্কুলের ইতিহাস শিক্ষক। উলটে তাঁকেই ছাত্রছাত্রীদের চাপে পড়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হল প্রধান শিক্ষকের কাছে। দার্জিলিংয়ের শালবাড়ি হাই স্কুলের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালেও পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৩ ডিসেম্বর। শালবাড়ি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল গোপ মাধ্যমিক পড়ুয়াদের কাছে এবিটিএ-এর টেস্ট পেপার বিক্রি করছেন, এই অভিযোগ তোলেন আরেক শিক্ষক মানিক রায়। তিনি স্কুলে ইতিহাস পড়ান। তিনি অভিযোগটি জানান পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক তৃণমূল শিক্ষা সমিতির কাছে। ঘটনার প্রতিবাদ করে তৃণমূল শিক্ষা সমিতির সদস্যরা সেসময় দার্জিলিংয়ের স্কুল পরিদর্শকের অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। প্রধান শিক্ষক শ্যামল গোপের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তোলেন। দাবি মেনে তদন্ত শুরু হয়।

Advertisement

                                      [২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার নজরুলের চুরি যাওয়া মূর্তি, দুষ্কৃতীরা এখনও অধরা]

তদন্ত চলাকালীনই ইতিহাস শিক্ষক মানিক রায় আরেকটি অভিযোগ করে বসেন। তাঁর নতুন অভিযোগ, বৃহস্পতিবার বহিরাগত কয়েকজনকে নিয়ে মানিকবাবুর ওপর চড়াও হয়েছেন প্রধান শিক্ষক। জোর করে তাঁকে দিয়ে ক্ষমা চাওয়ানো হয়েছে। এনিয়ে তিনি শোরগোল ফেলতেই এগিয়ে আসে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। গোটা বিষয়টি জানার পর তারা অবশ্য প্রধান শিক্ষকের পক্ষেই দাঁড়িয়েছে। উলটে ইতিহাস শিক্ষক মানিক রায়কেই কাঠগড়ায় তুলেছে তারা। প্রধান শিক্ষকের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও ওঠে ছাত্রছাত্রীদের তরফে। ছাত্রছাত্রীদের চাপে পড়ে মানিক রায় একেবারে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে নেন। তবে স্কুলচত্বরে এনিয়ে কিছুটা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। প্রধাননগর থানার পুলিশের হস্তক্ষেপে তা স্বাভাবিক হয়ে যায়। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর কোনও তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে একবাক্যে স্বীকার করে নেন সকলে। আজ থেকে ফের স্বাভাবিক শালবাড়ি হাই স্কুল। 

এর আগেও রাজ্যের বেশ কয়েকটি শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে একাধিক অনৈতিক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। যথাযথ তদন্তের পর হয় শাস্তি, নয়তো বেকসুর প্রমাণিত হয়েছেন তাঁরা। তবে এভাবে শিক্ষক-শিক্ষক সংঘাতে পড়ুয়াদের ওপর কুপ্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা শিক্ষামহলের একাংশের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.