Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Debra

তাকে না জানিয়ে বোনকে নিয়ে মামার বাড়িতে মা! অভিমানে চরম সিদ্ধান্ত কিশোরীর

মেয়ের এই ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা-মা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৯:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৯:০৭

options
link
তাকে না জানিয়ে বোনকে নিয়ে মামার বাড়িতে মা! অভিমানে চরম সিদ্ধান্ত কিশোরীর zoom
প্রতীকী ছবি

অংশুপ্রতিম পাল, খড়গপুর: মায়ের দিদিমার মৃত্যুসংবাদ এসেছিল। সেই দুঃসংবাদ শুনে দ্রুত ছোটমেয়েকে নিয়ে বাপেরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন মা। এদিকে বড় মেয়ে সেসময় গৃহশিক্ষকের কাছে পড়তে গিয়েছিল। বাড়িতে ফিরে ওই কিশোরী জানতে পারে, মা বোনকে নিয়ে মামার বাড়ি গিয়েছে। কেন তাকে নিয়ে যাওয়া হল না? সেই অভিমানে ‘আত্মঘাতী’ হল ওই কিশোরী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবড়ায়। ঘটনা জানাজানি হতে হতবাক প্রতিবেশীরা।

১২ বছরের ওই কিশোরীর নাম প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল। সে পলাশি জুনিয়র হাই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। বাড়ি ডেবরা থানার রাধামোহনপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের পলাশি এলাকায়। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে সে গৃহশিক্ষকের কাছে পড়তে গিয়েছিল। সেসময় বাড়িতে খবর আসে মায়ের দিদিমা মারা গিয়েছেন। সেই খবর শোনার পরই ছোট মেয়েকে নিয়ে মা বাপেরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

Advertisement

এদিকে পড়া শেষে বাড়ি ফিরে এসে ওই কিশোরী দেখতে পায় মা ও বোন বাড়িতে নেই। কেন তার জন্য অপেক্ষা করা হল না? কেন বোনকে নিয়ে মা মামার বাড়ি চলে গেল? সেই কথা বলে কান্নাকাটি শুরু করে দেয় ওই কিশোরী। এরপরই অভিমানে সে গলায় গামছার ফাঁস লাগায়। কিছু সময় পর বাবা আনন্দ মণ্ডল বাজার থেকে বাড়ি ফিরে দেখে মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। প্রতিবেশীদের ডেকে দ্রুত মেয়েকে নামিয়ে ডেবরা সুপার স্পেশালিস্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন কর্মরত চিকিৎসক। খবর পেয়ে ডেবরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

এদিকে মেয়ের এই মৃত্যুর খবর পেয়ে মা মাঝপথ থেকে বাড়ি ফিরে আসেন। মেয়ের এই ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা-মা। জেঠিমা মল্লিকা মন্ডল বললেন ” দিদার মৃত্যুর খবর পেয়ে জা বাপের বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যান। তারপরেই মেয়ে জানতে পেরে অভিমানে আত্মহত্যা করেছে। মা কেন তাকে নিয়ে যায়নি তার জন্য সে অভিমানী হয়েছিল।” ঘটনার জেরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.