Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Purulia

পুরুলিয়ায় এলে চাক্ষুষ হবে মহাকাশ! প্রশিক্ষণেই শনিগ্রহ দেখার আনন্দ

জঙ্গলমহল পুরুলিয়ার পর্যটনে এবার জ্যোতির্বিজ্ঞানের মজা!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ১৪:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ১৪:৫১

options
link
পুরুলিয়ায় এলে চাক্ষুষ হবে মহাকাশ! প্রশিক্ষণেই শনিগ্রহ দেখার আনন্দ zoom
Advertisement

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: জঙ্গলমহল পুরুলিয়ার (Purulia) পর্যটনে এবার জ্যোতির্বিজ্ঞানের মজা! কথাটা শুনতে একটু অবাক, অন্যরকম লাগছে না? কিন্তু এটাই যে সত্যি। পুরুলিয়ায় বেড়াতে এসে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, ছায়াপথ। এমনকি কপাল ভালো থাকলে অন্য মহাজাগতিক দৃশ্য আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠবে। পুরুলিয়ার পর্যটনে মহাকাশীয় মজা উপভোগ করাতে পুরুলিয়া বনবিভাগের আরও একটি পদক্ষেপ। মাঠা বনাঞ্চলের পর ঝালদা বনাঞ্চলেও বসলো টেলিস্কোপ। সম্প্রতি ওই টেলিস্কোপ বসানো হয় ঝালদা বনাঞ্চলে। এই বনাঞ্চলের আধিকারিক থেকে কর্মীরা ওই টেলিস্কোপ এর মাধ্যমে মহাকাশীয় দৃশ্য পর্যটক থেকে পড়ুয়াদেরকে চোখের সামনে দেখিয়ে দিতে পুরুলিয়া জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্রের কর্মীদের কাছ থেকে তারা রীতিমতো প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। গত সপ্তাহে ওই টেলিস্কোপ বসানোর পর থেকেই নিয়ম করে জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্রের কর্মীরা ঝালদা বনাঞ্চলে গিয়ে এই পাঠ দিচ্ছেন।

পুরুলিয়া (Purulia) বনবিভাগের এডিএফও সায়নী নন্দী বলেন, “মাঠার পাশাপাশি আমরা ঝালদাতেও একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তত্ত্বাবধানে ওই বনাঞ্চল কার্যালয়ে টেলিস্কোপ বসিয়েছি। শুধু পর্যটকরা নন, এই পিছিয়ে পড়া এলিফ্যান্ট-টাইগার ল্যান্ডস্কেপের পড়ুয়ারাও যাতে জ্যোতির্বিজ্ঞান, মহাকাশ, গ্রহ, নক্ষত্রের বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা নিয়ে এরকম মহাজাগতিক বিষয়গুলোর যাতে আনন্দ নিতে পারে। টেলিস্কোপের মাধ্যমে তা চাক্ষুষ করে এই বিষয়গুলো নিয়ে লেখাপড়াতে যাতে আগ্রহ বাড়ে এমন বহুবিধ বিষয়কে সামনে রেখেই আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।”

Advertisement

পুরুলিয়া বনবিভাগ সূত্রে খবর, ঝালদা বনাঞ্চলে আপাতত সন্ধ্যার পর প্রায় ঘন্টাখানেক ওই টেলিস্কোপে রাতের আকাশ দেখানো হচ্ছে। বড়দিন থেকে নতুন ইংরেজি বছরের মধ্যে ভিড় বাড়লে রাতের আকাশ দেখানোর সময় আরও বাড়বে। জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্রের কর্মীদের প্রশিক্ষণের মধ্যেই বনাঞ্চলের আধিকারিক ও কর্মীরা শনি গ্রহ চাক্ষুষ করতে পেরেছেন। ফলে ভীষণই আপ্লুত তারা। তাই বিজ্ঞান কেন্দ্রের কর্মীদের কাছে রীতিমতো মনোযোগ নিয়ে পাঠ নিচ্ছেন। সেই পাঠ নেওয়া থেকেই রাতের আকাশ দেখার দরজা খুলে দিচ্ছে ঝালদা বনাঞ্চল।

অন্যদিকে মাঠা বনাঞ্চলেও রাতের আকাশ দেখতে ভিড় বাড়ছে পর্যটকদের। একইভাবে বাঘমুণ্ডি ব্লক প্রশাসনও এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে ওই ব্লকের সোনকূপি এলাকায়। মাঠা বনাঞ্চলের পারডি বিটের পারডি জলাধারেও রাতের আকাশ দেখানোর একটি বৃহৎ প্রকল্প রয়েছে পুরুলিয়া বনবিভাগের। ওই প্রকল্পেরও সবুজ সংকেত মিলবে শীঘ্রই বলে পুরুলিয়া বনবিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.