২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

চঞ্চল প্রধান, হলদিয়া: রাতের অন্ধকারে গুটিগুটি পায়ে ঢুকেছিল মন্দিরে। তবে ভক্ত ভেবে ভুল করার কোনও কারণ নেই। কারণ, তার ধান্দা ছিল জিনিসপত্র হাতিয়ে পালিয়ে যাওয়ার। সময়মতো চুরির জিনিসপত্র বস্তাবন্দি করে ফেলেছিল সে। কিন্তু চুরি করতে গিয়ে খিদে পেয়ে যায়। কিন্তু মন্দিরে আর খাবে কি? তাই তো সন্দেশ আর সিদ্ধিই খেয়ে ফেলে। ব্যস! প্রতিক্রিয়া শুরু হওয়া মাত্রই ঘুমিয়ে পড়ে সে। ঘুম ভাঙতেই কপালে জুটল গ্রামবাসীদের বেদম মার।

[আরও পড়ুন: বিকট শব্দে মোবাইলে বিস্ফোরণ, গুরুতর জখম স্কুলছাত্র]

ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের ২ নম্বর ব্লকের বাবু খাঁবাড় গ্রামে। বৃহস্পতিবার রাতে শীতলা চণ্ডীর মন্দিরে আসে প্রদীপ জানা নামে ওই যুবক। মন্দিরে থাকা পিতলের বাসনপত্র সবই প্রায় বস্তাবন্দি করে। চুরি করার পর মন্দিরেই প্রসাদ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। ভোর রাতে মন্দিরের দিকে তাকাতেই চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয়দের। তাঁরা দেখেন মন্দিরের খোলা দালানে এক যুবক শুয়ে রয়েছে। ভয় পেয়ে চিৎকার করতে শুরু করেন। তাতেই ঘুম ভাঙে চোরের। কিছুক্ষণের মধ্যে গ্রামবাসীরা বুঝতে পারেন, এই যুবক চুরির উদ্দেশ্যেই মন্দিরে এসেছে। স্থানীয়দের হাত থেকে রক্ষা পেতে ধারালো অস্ত্রের মাধ্যমে সকলকে ভয় দেখাতে থাকে। এরপরই দৌড় দেয় ওই যুবক। গ্রামবাসীরাও তার পিছু নেয়। মন্দির থেকে কিছুটা দূরে ওই যুবককে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। বেধড়ক মারধরের পর পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে।

[আরও পড়ুন: খবরের জের, নদিয়ার সামিনের বদ্ধ জীবনে গতি আনল হুইলচেয়ার]

পুলিশ সূত্রে খবর, চুরির অভিযোগে ধৃত প্রদীপ জানা তালুক বৃন্দাবনপুরের বাসিন্দা। তার কাছ থেকে মন্দিরের পিতলের ঘটিবাটি, পঞ্চপ্রদীপ, সোনা এবং রূপোর গয়না ও বিগ্রহের পরনের শাড়িও উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু শীতলা চণ্ডীর মন্দিরই নয়, এর আগে এলাকার বহু মন্দিরে লুটপাট চালিয়েছে সে। তাঁদের আরও অভিযোগ, মন্দিরের পাশেই রয়েছে বেআইনি মদের দোকান। সেখানে রোজ রাতে দুষ্কৃতীদের আখড়াও বসে। তবে পুলিশ কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় চুরির ঘটনা আরও বাড়ছে। যদিও অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং