Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Chandannagar

অধরাই ষোড়শ অভিযান! কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়া না ছুঁয়েই ফিরলেন অসুস্থ পর্বতারোহী পিয়ালি

জানা গিয়েছে, জ্বর-কাশির সমস্যা দেখা দেয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৫, ১২:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৫, ১২:৩২

options
link
অধরাই ষোড়শ অভিযান! কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়া না ছুঁয়েই ফিরলেন অসুস্থ পর্বতারোহী পিয়ালি zoom
নিজের বাড়ির এলাকায় পিয়ালি। নিজস্ব চিত্র

সুমন করাতি, হুগলি: মাউন্ট এভারেস্ট, মাকালু আগেই জয় করেছিলেন। এবার লক্ষ্য ছিল কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়ায় ওঠা। কিন্তু শরীর সঙ্গ দিল না। সামিট পূর্ণ না করেই বাড়ি ফিরলেন পর্বতারোহী পিয়ালি বসাক। বিষয়টি নিয়ে কি তাঁর মনখারাপ? পিয়ালি বলেন, “কোথায় থামতে হয় জানা উচিত। পর্বতারোহণ পরেও করা যাবে।” আজ শনিবার হুগলির চন্দনগরের বাড়ি ফিরেছেন তিনি।

২০২২ সালের ২২ মে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছিলেন বাংলার পবর্তারোহী পিয়ালি বসাক। দু’বছর আগে মাকালু ও অন্নপূর্ণা শৃঙ্গও জয় করেছেন তিনি। এই বছর লক্ষ্য ছিল কাঞ্চনজঙ্ঘার একটি শৃঙ্গ জয় করা। সেই মতো প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন। গত ৭ এপ্রিল চন্দননগর থেকে তিনি রওনা হন। এবারের পর্বতারোহনের জন্য ব্যাঙ্ক এনডোসমেন্ট হিসাবে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক ২০ লক্ষ টাকা স্পন্সর করে।

Advertisement

এবার প্রথমে পিয়ালীর লক্ষ্য ছিল শিশাপাংমার শৃঙ্গ জয় করা। আট হাজারি এই শৃঙ্গে ওঠার জন্য চিনের অনুমতি প্রয়োজন। কিন্তু প্রতিবেশী রাষ্ট্র সেই অনুমতি দেয়নি। শেষপর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদল করে কাঞ্চনজঙ্ঘা অভিযানে গিয়েছিলেন। এর আগে ১৫ টি শৃঙ্গ জয় করেছেন তিনি। তার মধ্যে আট হাজার মিটার উচ্চতার শৃঙ্গ আছে মানাসুলু, ধৌলাগিরি, লোৎসে, অন্নপূর্ণা, মাকালু, মাউন্ট এভারেস্ট। কিন্তু এবার অভিযানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন বেসক্যাম্পে। লক্ষ্যের জন্য যাত্রাও শুরু করেছিলেন। ক্যাম্প ৪-এ গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন পিয়ালি। তারপর আর তিনি উপরে উঠতে পারেননি। আজ শনিবার চন্দননগরে ফিরে এসেছেন।

এদিন পিয়ালি বলেন, “কাঞ্চনজঙ্ঘা আগে ওঠা হয়নি। তাই এবার যখন শিশাপাংমা অভিযান হল না। ঠিক করলাম কাঞ্চনজঙ্ঘা উঠব। সব ঠিকই ছিল। খুব ভালো ক্লাইম্বিং করছিলাম। কিন্তু ক্যাম্প ফোর থেকে সামিট করে এক হাজার মিটার দূরে থামতে হয়।” জানা গিয়েছে, জ্বর-কাশির সমস্যা দেখা দেয়। ভারতীয় সেনারা তাঁকে ওষুধ দেয়। ওষুধ খেয়ে কিছুটা সুস্থ হলেও আর এগোনো হয়নি। তাঁর শেরপারাও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পাহাড়ের আবহাওয়াও খারাপ হতে থাকায় আর ঝুঁকি নেননি পিয়ালি। ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। এদিন পিয়ালি বলেন, “পাহাড় চড়ার জেদ থাকার পাশাপাশি সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে জানতে হয়। যতটা পাহাড় চড়া, ততটাই ফিরে আসার ক্ষমতা থাকা দরকার। জীবন থাকলে আবার অভিযান হবে।তাই আপাতত স্কুল যাওয়া আর বাড়িতে থেকে শরীর চর্চা।”

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.