Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
SIR

হাজার হাজার মতুয়ার নাম বাদ চূড়ান্ত তালিকায়! কমিশনের দিকে দায় ঠেলে শান্তনুর সাফাই ‘আমার জানা নেই’

এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় মতুয়াদের বড় অংশের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা। সেই নিয়ে নদিয়া, বনগাঁ মতুয়াগড়ে আতঙ্ক, চর্চা ছড়িয়েছে। বিজেপি সাংসদ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর আগে অভয় দিয়েছিলেন একজন মতুয়ার নামও বাদ যাবে না। এদিকে এখন প্রায় উলটো সুর তাঁর গলাতেই!

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৭:৪৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৭:৪৯

options
link
হাজার হাজার মতুয়ার নাম বাদ চূড়ান্ত তালিকায়! কমিশনের দিকে দায় ঠেলে শান্তনুর সাফাই ‘আমার জানা নেই’ zoom
শান্তনু ঠাকুরকে দুষলেন মমতাবালা।

এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় মতুয়াদের বড় অংশের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা। সেই নিয়ে নদিয়া, বনগাঁ মতুয়াগড়ে আতঙ্ক, চর্চা ছড়িয়েছে। বিজেপি সাংসদ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর আগে অভয় দিয়েছিলেন একজন মতুয়ার নামও বাদ যাবে না। এদিকে এখন প্রায় উলটো সুর তাঁর গলাতেই! মতুয়াদের ঘাবড়ানো, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। একজন মতুয়াকেও বাংলাদেশে পাঠানো হবে না। সেই কথা বলেছেন শান্তনু। নির্বাচনে কত নাম বাদ যাবে? সেই বিষয়ে তিনি দায় চাপিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের উপরই। কত নাম বাদ যাবে, সেই বিষয়ে কিছু জানা নেই বলে সাফাই কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রীর!

শান্তনু ঠাকুরের বক্তব্য নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে মতুয়াদের একাংশের মধ্যে। এই বিষয়ে আরও একবার ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। মতুয়া ঠাকুরবাড়ির সদস্য মমতাবালা সোজাসাপ্টা জানিয়েছেন, মতুয়াদের নাম বাদ গেলে তার দায় শান্তনু ও বিজেপির। শুধু তাই নয়, মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে শান্তনু ঠাকুর টাকা তুলেছেন! সেই অভিযোগ আরও একবার করেছেন তৃণমূলের সাংসদ।

Advertisement

এসআইআর খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই আতঙ্ক ছড়িয়েছিল মতুয়াদের মধ্যে। বহু মতুয়ার নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা করা হয়েছিল। নদিয়া, বনগাঁ এলাকায় হাজার হাজার মতুয়ার নাম বাদ যাবে চূড়ান্ত তালিকায়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে বনগাঁয় ৪০ হাজার ও নদিয়ায় ৬০ হাজার ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। প্রসঙ্গত ওই দুই জায়গা মতুয়া অধ্যুষিত। ফলে বহু সংখ্যায় মতুয়াদের নাম বাদ যাবে। সেই আশঙ্কা এখন আরও জোরালো হচ্ছে। সেই আবহে এদিন শান্তনু ঠাকুর নির্বাচন কমিশনের দিকেই দায় ঠেলে দিয়েছেন।

তিনি এদিন জানিয়েছেন, “এসআইআরে কতজনের নাম বাদ যাবে সেই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের বিষয়। কত নাম বাদ যাবে সেই বিষয়ে কিছু জানা নেই।” তাঁর আরও দাবি, “কোনও মতুয়ার ঘাবড়ানোর কিছু নেই। একজন মতুয়াকেও বাংলাদেশে পাঠানো হবে না, সেটি কেন্দ্রীয় সরকারের গ্যারান্টি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গ্যারান্টি।”

প্রসঙ্গত, এর আগে শান্তনু জানিয়েছিলেন, মতুয়াদের নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। বহু জায়গায় নাগরিকত্বের জন্য ফর্মফিলাপও শুরু হয়। জাতিগত সংশাপত্র দেওয়ার কাজও শুরু হয়েছিল! তৃণমূলের অভিযোগ, ফর্মফিলাপের নামে মোটা টাকা আদায় করা হচ্ছে। শান্তনু ঠাকুর এই টাকা তুলছেন বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন মমতাবালা। এদিন আরও একবার সেই অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “পরিকল্পনা করে মতুয়াদের নাম বাদ গিয়েছে। নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ মিলে যে মতুয়াদের ভোট নিল, ২০০২ সালের পর থেকে যারা ভোটার হয়েছেন, ২৪ সাল পর্যন্ত ভোট দিল। ২৬ সালে তাঁদের নাম বাদ গেল! তালিকায় নাম তুলে নেওয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণে টাকা তুলেছে নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য। সেই টাকা ফেরত দিক।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.