রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: ট্যাংরা, মধ্যমগ্রামের পর আলিপুরদুয়ার। মাদারিহাটে বাড়ি থেকে একই পরিবারের তিনজনের দেহ উদ্ধার। কীভাবে মৃত্যু হল তাঁদের, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত্যুর আগে শংসাপত্র পুড়িয়ে দেয় ওই পরিবারের এক সদস্য। কী কারণে এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁরা, তা স্পষ্ট নয়।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের মাহুত বিনোদ ওরাও। তাঁর স্ত্রী সোমবার সকালে দুটি ঘরে তিনজনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। মৃতেরা হলেন বিবি ওরাও, রবি ওরাও এবং বিবেক ওরাও। বছর বাহান্নর রবি এবং বছর তিরিশের বিবি সম্পর্কে মা ও ছেলে। বিবেক বিনোদের একমাত্র সন্তান। বিনোদের দাবি, রবিবার রাতে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়াও করেন তাঁরা। পারিবারিক অশান্তি ছিল না বলেও দাবি তাঁর। প্রাথমিকভাবে অনুমান, মা বিবি এবং ভাইপো বিবেককে খুন করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন বিবেক।
বাড়ির সামনে থেকে বেশ কিছু পরিমাণ ছাই পাওয়া গিয়েছে। পরিবারের দাবি, বিবেক তাঁর সমস্ত শংসাপত্র পুড়িয়ে দেন। চাকরি পাচ্ছিলেন না বলে সম্ভবত মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বিবেক। সে কারণে চরম সিদ্ধান্ত কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জয়গাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মানবেন্দ্র দাস যদিও এখনই পরিবারের তিন সদস্যের রহস্যমৃত্যু নিয়ে কিছু বলেননি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেই জানান তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
শিয়ালদহ স্টেশনে নেই পর্যাপ্ত জল, কাজ করেনি অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থাও, দমকলের অভিযোগে কী যুক্তি রেলের?
-
‘চিনা সরকারই দায়ী’, নেপাল বিপর্যয় থেকে বেঁচে ফিরে বেজিংকে দুষছেন উত্তরপাড়ার পর্যটক
-
রেললাইনের ফিটনেস চেক! দুর্ঘটনা এড়াতে বিরাট উদ্যাগ রেলের, শিয়ালদহে ট্র্যাকের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ মেশিন
-
মহাপ্রলয়ে মৃত ৯০৩, তিন মাস আগে হিমবাহের তথ্য চেয়েছিল নেপাল, চিনের গড়িমসিতেই বিপর্যয়!
-
বারাসতে বড় ম্যাচ ঘিরে হঠাৎই জটিলতা, ৬ সেপ্টেম্বর নৈশালোকে ডার্বির চেষ্টা আইএফএ-র