Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬

ইউনিসেফের বিচারে যামিনী রায় পুরস্কারের দাবিদার রাজ্যের ৩ স্কুল

২০১৩ সাল থেকে রাজ্যে এই পুরস্কার চালু করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৩, ২০১৮, ১৯:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৩, ২০১৮, ১৯:০৬

options
link
ইউনিসেফের বিচারে যামিনী রায় পুরস্কারের দাবিদার রাজ্যের ৩ স্কুল zoom
Advertisement

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: ইউনিসেফের বিচারে এবার রাজ্যের তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় আর একটি হাইস্কুলকে যামিনী রায় পুরস্কার দিচ্ছে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর। আগামী ১৪ ডিসেম্বর কলকাতার মহাজাতি সদনে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চার বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। পুরস্কারপ্রাপ্ত স্কুলগুলি হল বাঁকুড়ার কোতুলপুর ব্লকের মির্জাপুর জুনিয়র বেসিক স্কুল, দক্ষিণ দিনাজপুরের হাঁসনগর এফপি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কলকাতার ভোলানাথ হালদার স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং হুগলির মগরা প্রভাবতী বালিকা বিদ্যালয়।

[বাড়ির উঠোনে মায়ের দেহ সমাধিস্থ মেয়ের! চাঞ্চল্য সিউড়িতে]

পুরস্কার হিসাবে ৫০ হাজার টাকা করে তুলে দেওয়া হবে বলে জানান বাঁকুড়ার সর্বশিক্ষা মিশন দপ্তরের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর পাপিয়া সাহানা গুপ্ত। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান রিঙ্কু বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যামিনী রায় বাঁকুড়ার মানুষ। তাঁর নামে দেওয়া রাজ্য সরকারের এই পুরস্কার পেয়ে খুব ভাল লাগছে। তবে তিনি এই পুরস্কার পাওয়ার জন্য সমস্ত কৃতিত্বই দিচ্ছেন ওই মির্জাপুর জুনিয়ার বেসিক স্কুলের প্রধানশিক্ষক অসিতবরন পালকে। এ বিষয়ে অসিতবাবু বলেন, সরকারি স্কুলগুলিই গ্রামগঞ্জের সম্পদ। সেই সম্পদ রক্ষা করা প্রতিটি মানুষের কর্তব্য। জানা গিয়েছে, স্কুলগুলির পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, শিশুবান্ধব পরিবেশ, পঠনপাঠনের মান-সহ একাধিক বিষয়ে বিচার করে এই স্কুলগুলিকে নির্বাচন করেছে ইউনিসেফ। গত ২০১৩ সাল থেকে এ রাজ্য এই পুরস্কার চালু করা হয়েছে। সরকারি স্কুলগুলিতে শিক্ষায় পঠনপাঠনের মান উন্নয়ের জন্যই এই পুরস্কার চালু করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[নদীর ধারে মহিলার অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার, ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ]

রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, চলতি বছর থেকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত অথচ পুরস্কার না পাওয়া বিদ্যালয়গুলিকে ‘সার্টিফিকেট অফ অ্যাপ্রিসিয়েশন’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে মনোনীত হওয়া স্কুলটি হল বাঁকুড়ার রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুল। এছাড়া, এই মঞ্চ থেকেই দু’টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি হাইস্কুলকে শিশুমিত্র পুরস্কার দেওয়া হবে। এই পুরস্কার পাচ্ছেন বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্রজনাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় আর রায়পুরের মুড়াজোড় প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কোতুলপুর ব্লকের তাজপুর রামচরণ হাইস্কুল। এই স্কুলগুলিকে ২৫ হাজার টাকা করে পুরস্কার বাবদ দেওয়া হবে।

[মালবাজারে বেলাইন ট্রেনের একটি কামরা, বন্ধ ডুয়ার্সগামী রেল পরিষেবা]

এছাড়া, গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে স্কুল, সার্কেল পর্যায় পেরিয়ে জেলা পর্যায় থেকে চারটি গ্রুপের ১২ জনের হাতে আঁকা ছবি পাঠানো হয়েছিল রাজ্যে। ওই প্রতিযোগিতায় যুগ্মভাবে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছেন বাঁকুড়ায় সোনামুখীর ব্রজনাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী অদিতি গরাই এবং তাজপুর রামচরন হাইস্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী অর্পিতা দে। বাঁকুড়া জেলা জুড়ে একাধিক প্রাথমিক এবং হাইস্কুল পুরস্কার পাওয়ায় খুশি জেলা স্কুল শিক্ষা দপ্তরের কর্তারা। জেলা স্কুল পরিদর্শক পঙ্কজ সরকার বলেন, “এটা খুবই গর্বের বিষয়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.