Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
ঝড়বৃষ্টি

সকালেই নামল সন্ধে, ব্যাপক ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের জনজীবন

বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গেও৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০১৯, ১৪:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০১৯, ১৪:০৩

options
link
সকালেই নামল সন্ধে, ব্যাপক ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের জনজীবন zoom

রিংকি দাস ভট্টাচার্য: পূর্বাভাস ছিলই৷ সত্যি হল হাওয়া অফিসের আশঙ্কা৷ মঙ্গলবার সকাল থেকে উত্তরবঙ্গের আকাশের মুখভার৷ সাতসকালেই অন্ধকার নামল সেখানে৷ শুধু তাই নয় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ব্যাপক বৃষ্টি শুরু হয় কোচবিহার, জলপাইগুড়ি-সহ উত্তরের বিভিন্ন প্রান্তে৷ একাধিক জায়গায় ভেঙে গিয়েছে গাছ৷ ছিঁড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের তার৷ যার ফলে কার্যত বিপর্যস্ত জনজীবন৷

[ আরও পড়ুন: ভোট কিনতে মদ নয়, কমিশনের নির্দেশে বন্ধ কয়েকশো ওয়াইন শপ]

মঙ্গলবার সকালে আচমকাই প্রায় সন্ধে নেমে আসে কোচবিহারে৷ ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করে৷ সঙ্গে বৃষ্টিও শুরু হয়৷ প্রায় দু,তিন ঘণ্টা ধরে জারি ছিল বৃষ্টির দাপট৷ ভেঙে গিয়েছে বিজেপির অস্থায়ী সভামঞ্চ৷ প্রবল ঝড়বৃষ্টি হয়েছে জলপাইগুড়িতেও৷ ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে মালবাজার, নাগরাকাটা, চালসা, ক্রান্তি, ওদলাবাড়ি, বাগরাকোট-সহ বিভিন্ন এলাকার। জলপাইগুড়ি, কোচবিহারের মতোই ডুয়ার্সের বীরপাড়া, মাদারিহাট, হাসিমারা, দলসিংপাড়ার ছবিও একইরকম৷

Advertisement

STORM

 

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ভেঙে গিয়েছে বহু গাছপালা। ছিঁড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের তার৷ তাই বেশিরভাগ এলাকাতেই ব্যাহত হয়েছে বিদ্যুৎ পরিষেবা৷ ঝড়ের ফলে চালসা-মেটেলি রাজ্য সড়কের কিলকোট চা বাগান মোড়ে গাছ ভেঙে পড়ে৷ কিছুক্ষণের জন্য ব্যাহত হয় যানচলাচল৷ অকালের ঝড়বৃষ্টিতে মেটেলির বিধাননগরে পাট-সহ বহু শাকসবজির ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা৷

STORM

 

[ আরও পড়ুন: বাড়িতে না জানিয়ে ‘নাইট আউট’, বাবার বকুনি খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা ছেলের]

উত্তরের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর৷ প্রতি বছর মার্চে সাধারণত দুটি কালবৈশাখী হয়৷ কিন্তু চলতি বছর ঝড়বৃষ্টির প্রকোপ অনেক বেশি৷ ইতিমধ্যেই কলকাতায় হয়ে গিয়েছে দুটি কালবৈশাখী৷ কারণ হিসাবে অবশ্য পার্শ্ববর্তী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের উষ্ণতাকেই দায়ী করেছেন আবহাওয়াবিদরা৷ তাঁদের দাবি, প্রতি বছর মার্চের শুরু থেকেই রাঢ়বঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড লাগোয়া ওড়িশার মাটি খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়ে যায়৷ মার্চের মাঝামাঝি পাথুরে মাটি এতটাই গরম হয়ে যায় যে সেখানকার বাতাসও উষ্ণ হয়ে উপরে উঠে আসে। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে বঙ্গোপসাগর থেকে ছুটে আসে জলীয় বাষ্পে ভরা হাওয়া। যা উল্লম্ব মেঘ তৈরি করে। ঈশান কোণের এই কালো মেঘ বায়ুমণ্ডলের উপরে উঠে ঠান্ডা বাতাসের ছোঁয়া পেলেই বজ্রগর্ভ মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়। তার থেকেই আকাশ কালো করে শুরু হয় ঝড়বৃষ্টি

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.