সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জোয়ারে জলের তোড়ে অস্থায়ী জেটি ভেসে গঙ্গায় তলিয়ে গেলেন বহু যাত্রী। ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। গুরুতর অসুস্থ ১৫ জন। খোঁজ নেই প্রায় ৩৭ জনের। উদ্ধার কাজে নেমেছে কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। বুধবার সকালে ভদ্রেশ্বর তেলিনিপাড়া ঘাটে ঘটনাটি ঘটেছে।
বাঁশের পাটাতন দিয়ে তৈরি ওই অস্থায়ী জেটি ধরেই প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এদিন সকাল ১১টা নাগাদ ঘাট পার হওয়ার জন্য জেটিতে অপেক্ষা করছিলেন ১০০ জনের বেশি যাত্রী। আচমকা জোয়ারের জল আছড়ে পড়ে জেটিতে। তাসের ঘরের মতো ধসে পড়ে জেটিটি। ত্রাহি ত্রাহি রব পড়ে যায় চারদিকে। তীব্র আর্তনাদে গঙ্গার জলে খাবি খেতে থাকেন অসংখ্য যাত্রী।
[বাবরি কাণ্ডে অভিযুক্তরা কি পদত্যাগ করছেন, অমিতকে পাল্টা কটাক্ষ পার্থর]
স্থানীয়রাই প্রথমে ছুটে আসেন। আশেপাশে যে নৌকাগুলি ছিল উদ্ধারকাজে নামে তারাও। আশঙ্কাজনক অবস্থাতে বেশ কয়েকজনকে ঘাটে তুলে আনা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তিনজনকে মৃত বলে ঘোষনা করা হয়। ঘটনার খবর পেয়েই উদ্বিঘ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেনকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। ঘটনাস্থলের পথে রওনা হন নবান্নের শীর্ষ কর্তারাও। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ২ লক্ষ টাকা করে সাহায্য প্রদানের আশ্বাস দেন। উত্তরবঙ্গ থেকেই গোটা ঘটনাটি নজরে রাখছেন তিনি।
[বিসর্জনের জন্যও আদালতের অনুমতি লাগছে কেন, প্রশ্ন অমিতের]
এদিকে চোখের সামনে জেটি সমেত সাধারণ মানুষের তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় হতবাক হয়ে যান ঘাটের ধারে থাকা সাধারণ মানুষ এবং দোকানদাররা৷ বাঁচার জন্য আর্তনাদ করতে থাকেন তলিয়ে যাওয়া যাত্রীরা৷ কিন্তু জোয়ারের জলে তাঁদের বেশিরভাগেরই খোঁজ পাওয়া যায়নি৷ সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষই জলে ঝাঁপ দিয়ে তাঁদের উদ্ধারের কাজ শুরু করেন৷সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উদ্ধারে নামে স্থানীয় জেলে-মাঝিরা। দুপুর পর্যন্ত ১৮ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। প্রশাসনের ১১টি টিম ঘটনাস্থলে রয়েছে। অস্থায়ী এই জেটিটি কোন সংস্থা দেখভালের দায়িত্বে ছিল তা খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
[সৌদিতে ভারতীয় যুবককে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ, তদন্তে দূতাবাস]
সর্বশেষ খবর
-
পেটের ৭ স্তর কেটে সন্তান জন্ম, চর্চায় মিস ওয়ার্ল্ডের গাউনে মায়ের যন্ত্রণার কাহিনি
-
দোকানের মাল খাঁটি হলে খদ্দের জুটবেই, বলতেন সম্পাদক শরৎচন্দ্র
-
নেপালের বিধ্বংসী বন্যার নেপথ্যে চিন! কোভিডের মতো এবারও দায় এড়াচ্ছে বেজিং
-
ক্যাম্পাসে বন্দে মাতরম যাত্রা এবিভিপির, বাইরে মিছিল এসএফআইয়ের! ফের তপ্ত যাদবপুর
-
মাতৃভাষাকে ভালোবেসে! বাংলায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপকদের বৃত্তিতে স্কুলে ১ লক্ষ দান প্রাক্তন শিক্ষিকার