Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Purulia

‘ইনকিলাব আয়া হে…’, জয়রাম মাহাতোর ভাইরাল স্লোগানে ‘টাইগার’ জ্বরে কাঁপছে জঙ্গলমহল!

বাংলার জঙ্গলমহলে এই প্রথম রাজনৈতিক সভা 'টাইগার' জয়রাম মাহাতোর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০২৫, ২১:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০২৫, ২১:৪৮

options
link
‘ইনকিলাব আয়া হে…’, জয়রাম মাহাতোর ভাইরাল স্লোগানে ‘টাইগার’ জ্বরে কাঁপছে জঙ্গলমহল! zoom
ছবি: দীপক রাম।

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: ‘ইয়ে জঙ্গলমহলকে গলিও সে এক আওয়াজ আয়া হে/ উঠাও নওজওয়ানও/ ফির সে ইনকিলাব আয়া হে।’ সম্প্রতি বাঁদনার একটি কর্মসূচিতে ঝাড়গ্রামের জামবনীতে এই কথাতেই মাত করে দিয়েছিলেন। যা এখন ভাইরাল। আর তারপর থেকেই ‘টাইগার’ জ্বরে কাঁপছে জঙ্গলমহল। আজ রবিবার পুরুলিয়ার জয়পুরের ফরেস্ট মোড়ের গোবিন্দ মাহাতো স্টেডিয়ামে জঙ্গলমহলের প্রথম রাজনৈতিক সভা করবে ঝাড়খণ্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চার সুপ্রিমো তথা ঝাড়খণ্ডের ডুমরির বিধায়ক জয়রাম মাহাতো। ইতিমধ্যেই স্টেডিয়ামের প্রস্তুতি পর্ব চূড়ান্ত। এই সভাকে ঘিরে রীতিমতো উচ্ছ্বাস, আবেগে ভাসছে জঙ্গলমহলের চার জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর।

যেমনভাবে ঝাড়গ্রামের জামবনিতে বাঁদনা কর্মসূচিতে জঙ্গলমহলের অন্যান্য জেলা থেকেও ‘টাইগার’ জয়রাম মাহাতোকে দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন। তেমনই এই বনমহলে ‘টাইগার’ জয়রাম মাহাতোর প্রথম রাজনৈতিক সমাবেশকে ঘিরে জঙ্গলমহলের অন্যান্য জেলার মানুষরাও শামিল হবেন বলে ঝাড়খণ্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চা সূত্রে জানা গিয়েছে। পুরুলিয়ার প্রত্যেকটি ব্লকে ওই সংগঠন গোবিন্দ মাহাতো স্টেডিয়াম ভরাতে গাড়ির ব্যবস্থা করেছে। ‘টাইগার’ জয়রাম মানেই ঝাড়খণ্ডের মানুষের কাছে একটা আবেগ। স্বাভাবিকভাবেই তিনি যখন বাংলায় প্রথম রাজনৈতিক সমাবেশে পা রাখতে আসছেন। ফলত ওই রাজ্য থেকে তাঁর অনুগামীরা যে আসবেন সেটা ধরে নিয়েই আইনশৃঙ্খলার কথা মাথায় রেখে পদক্ষেপ নিয়েছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ।

Advertisement
পুরুলিয়ার জয়পুরের ফরেস্ট মোড়ে গোবিন্দ মাহাতো স্টেডিয়ামে চলছে সভার প্রস্তুতি। ছবি : দীপক রাম।

বিস্তীর্ণ জঙ্গলমহলে ঝাড়খণ্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চার সেভাবে কোনও সংগঠনই নেই। সম্প্রতি পুরুলিয়ায় এই সংগঠন খানিকটা হলেও দানা বেঁধেছে। কিন্তু তাতে যে সাংগঠনিকভাবে বিশাল জমায়েত করতে পারবে, তা নয়। কিন্তু ‘টাইগার’ জয়রাম মাহাতো মানেই নবীন প্রজন্মের কাছে একটা কাঁপুনি। আর তাতেই উপচে পড়া মাঠ। ঝাড়খণ্ডে ‘টাইগার’-এর সমাবেশ মানে এটাই চিত্র। ফলে রবিবার জয়পুরে জঙ্গলমহলে জয়রামের প্রথম রাজনৈতিক সভা আলাদা মাত্রা পাবে, তেমনটাই বলছেন বনমহলের মানুষজনই। এই প্রথম রাজনৈতিক সমাবেশে রাজনীতির নতুন কোন সমীকরণ? নাকি কুড়মি আন্দোলনে নতুন কোন দিশা? রবিবারের সমাবেশ তা পরিষ্কার করে দেবে, বলছে ঝাড়খণ্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চা।

একদিকে ভাষা সংস্কৃতি রক্ষার আন্দোলনে ‘টাইগার’কে পাশে পেয়েছে এই বনমহল। সেইসঙ্গে কুড়মি আন্দোলনে ‘মুখ’ হয়ে উঠেছে এই ‘টাইগার’। সেইসঙ্গে জয়রামের মুখে ‘ইনকিলাব’ স্লোগানে আবার কি নতুন করে বামপন্থা? এই প্রশ্ন ঘুরপাকের মধ্যেই ডুমরির বিধায়ক জয়রামের পেছনে ‘টাইগার’, ‘টাইগার’ বলে ছুটছে জঙ্গলমহল!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.