BREAKING NEWS

২৬ শ্রাবণ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

আমফানের ক্ষতিপূরণের টাকায় পাঁচিল মেরামত! কাঠগড়ায় কাকদ্বীপের তৃণমূল বুথ সভাপতি

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: July 11, 2020 7:22 pm|    Updated: July 11, 2020 7:44 pm

An Images

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: আমফানের ক্ষতিপূরণের টাকায় পাঁচিল সংস্কার! এমনই আজব কাণ্ড ঘটানোর অভিযোগে কাঠগড়ায় কাকদ্বীপের এক তৃণমূল বুথ সভাপতি। কাকদ্বীপের স্বামী বিবেকানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের অক্ষয়নগরে তৃণমূলের বুথ সভাপতি বেবি দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আমফানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা না দিয়ে তিনি তাঁর পরিবারের সাতজন সদস্যের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকিয়েছেন। এই অভিযোগে তৃণমূলের ওই বুথ সভাপতির বাড়ির সামনে ক্ষতিপূরণের টাকা না পাওয়া মহিলারা বিক্ষোভ দেখান। পুলিশ এসে তদন্তের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ উঠে যায়।

অভিযুক্ত বেবি দাসের বক্তব্য, গ্রামে অবস্থিত একটি মন্দিরের পাঁচিল তৈরির কাজটা জরুরি ছিল। উন্নয়ন খাতে টাকা না থাকায় আমফানের টাকায় পাঁচিল সংস্কারের কথা ছিল। তাই ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে ক্ষতিপূরণের টাকা তুলে পাঁচিল সংস্কারের কাজ হবে। তাহলে আমফানে ক্ষতিপূরণে সরকারি বরাদ্দ টাকা কি পাবেন না? এই প্রশ্নের উত্তরে গ্রামবাসীদের একটু ধৈর্য ধরতে বলছেন বুথ সভাপতি। তিনি বলেন, উন্নয়ন খাতে টাকা এলে সেই টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য দেওয়া হবে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের।

[আরও পড়ুন: স্ত্রীর মুখে ঢোকানো মদের বোতল, যৌনাঙ্গ কাটা শ্বশুরের, জোড়া খুনে অভিযুক্ত জামাই]

একই অভিযোগ উঠেছে কাকদ্বীপের এক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির। ত্রাণের অর্থ ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে না বিলি করে, তা আত্মীয়দের মধ্যে বিলি করা হয়েছে। এমনই অভিযোগ উঠল কাকদ্বীপ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মমতাজ মোল্লার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তিনি আমফানের ক্ষতিপূরণের টাকা নিজের পরিবারের সদস্যদের পাইয়ে দিয়েছেন। দুর্গতদের আরও অভিযোগ, নেতাজি গ্রাম পঞ্চায়েতের শিবনগর পূর্বপাড়ার বাসিন্দা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মমতাজ মোল্লার পাকাবাড়ি থাকা সত্ত্বেও ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়েছেন তাঁর স্বামী, পুত্র, শাশুড়ি ও ননদ। বিজেপি এই ঘটনায় বিডিও ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে শোকজের দাবি তুলেছে।

[আরও পড়ুন: দেবীমূর্তির সঙ্গে জড়িয়ে বিশ্বাস, হারানো মূর্তি উদ্ধারের দাবিতে আউশগ্রামে পথ অবরোধ]

এর বিপরীত চিত্রও আছে। ভাঙড় ২  নম্বর ব্লকের উত্তর গাজিপুর গ্রামের জলিল শেখ নামে এক ব্যক্তি আমফানের টাকা নিজের ইচ্ছায় ফেরত দিলেন পঞ্চায়েতের ক্যাশিয়ারের কাছে। জলিলের দাবি, ”আমার অ্যাকাউন্টে দেখলাম, ২০ হাজার টাকা ঢুকেছে। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, এটা আমফানের ক্ষতিপূরণের টাকা। কিন্তু আমফানে আমার ঘরের কোনও ক্ষতি হয়নি। তাই আমি সেই ক্ষতিপূরণের টাকা নিতে ইচ্ছুক ছিলাম না।” শনিবার সেই টাকা তিনি ফেরত দিয়ে যান পঞ্চায়েতে। জলিল শেখকে দেখে যদিও অন্যরাও স্বেচ্ছায় এভাবে টাকা ফেরত দেন, তাহলে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত এবং সহজে নিজেদের প্রাপ্য পেতে পারেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement