সৈকত মাইতি, তমলুক: তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর। উঠেছে মারধরের অভিযোগও। লোকসভা ভোটের (2024 Lok Sabha Election) মুখে উত্তপ্ত পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার গোজিনার মধুর কিয়ারানা বুথের কুইলা সুড়া। তমলুকের তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যকে ঘিরে ধরে শুক্রবার দুপুরে ‘অত্যাচারে’র কাহিনি শোনালেন স্থানীয় দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপির বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগে সরব দেবাংশুও।
ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। কুইলা সুড়া এলাকায় বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা দলীয় পতাকা লাগাচ্ছিলেন। তমলুকের প্রার্থী দেবাংশুর নামে পোস্টার লাগানোর কাজও চলছিল। সেই সময় দুই দলের কর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ময়না থানার পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিও হয়। তার পরই গভীর রাতে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ছিঁড়ে দেওয়া হয় দেবাংশুর পোস্টারও। অভিযোগ, বিজেপি এই কাজ করেছে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। থমথমে গোটা এলাকা। আতঙ্কে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।

[আরও পড়ুন: বিজেপিতে ‘ঘর ওয়াপসি’ অর্জুনের, গেরুয়া শিবিরে দিব্যেন্দু অধিকারীও]
এর পর শুক্রবার দুপুরে ভোটপ্রচারে বেরন দেবাংশু (Debangshu Bhattacharya)। তমলুকের তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যকে ঘিরে ধরেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরাই। তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুরের কথা জানান। স্থানীয়রা বলেন, “গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ময়নায় জেতার পর থেকে এলাকায় সন্ত্রাস চলছে। বিজেপি নেতা-কর্মীদের অত্যাচারে গ্রামে ঢুকতে পারছি না।” গাড়ি থেকে দেবাংশু তাঁদের আশ্বস্ত করেন। তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে।” লোকসভা ভোটের আগে পরিকল্পনামাফিক বিজেপি নেতারা এলাকায় অশান্তি ছড়াচ্ছে বলেও দাবি তাঁর। যদিও পালটা তৃণমূলের বিরুদ্ধেই অশান্তির অভিযোগে সরব গেরুয়া শিবির।
[আরও পড়ুন: কীভাবে কপালে চোট মুখ্যমন্ত্রীর? ‘ধাক্কা রহস্যে’র ব্যাখ্যা দিল তৃণমূল]
সর্বশেষ খবর
-
অসুস্থ হয়ে দিল্লি এইমসে ভর্তি বিমান বসু, কী জানাল বামফ্রন্ট রাজ্য নেতৃত্ব?
-
হাওড়ায় বাড়ির সামনে জমা জলে উদ্ধার ব্যক্তির দেহ, তদন্তকারী দল পাঠালেন মন্ত্রী, আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস
-
আচমকা অসুস্থ বুদ্ধদেবজায়া মীরা ভট্টাচার্য, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
-
বাবাকে ‘টার্গেট’ ভেবে ঘরে ঢুকে ছেলেকে খুন! যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল হাওড়া আদালত
-
অভয়া মামলা থেকে নিস্তার নেই! তোলাবাজিতে জামিন হলেও জেলেই প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব