সঞ্জীব সাহা, বহরমপুর: তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস এর মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতিতে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মুর্শিদাবাদের বহরমপুর পুরসভা। ভাঙচুর করা হল জেলা কংগ্রেস পার্টি অফিসও। কংগ্রেস পরিচালিত আইএনটিইউসি পৌর শ্রমিক কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি দাওয়ার ভিত্তিতে পৌরপিতাকে একটি ডেপুটেশন দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুই দিন ধরে বহরমপুর পুরসভার পৌরপিতা নীলরতন আঢ্য ডেপুটেশন নেওয়ার সময় দিচ্ছিলেন না বলে অভিযোগ। আর তার জেরেই কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তিন দিন ধরে বহরমপুর পৌরসভাতে বিক্ষোভ করা হবে।
[প্রকাশ্যে লরির চালককে হেলমেট দিয়ে মার সিভিক ভলান্টিয়ারের, দেখুন ভিডিও]
বুধবার থেকে শুরু হয় এই বিক্ষোভ। বৃহস্পতিবার ছিল দ্বিতীয় দিনের বিক্ষোভ। কংগ্রেস কাউন্সিলরদের অভিযোগ, এদিন বিক্ষোভের সময় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বহিরাগতদের নিয়ে এসে কংগ্রেস কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। পৌরসভা গেট লাগিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়ায় বহরমপুর পুরসভাতে।
[মর্মান্তিক কাণ্ড! মাটির দেওয়াল ধসে মৃত্যু একই পরিবারের দুই সদস্যের]
এদিন বিকেলে বহরমপুরে মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের পার্টি অফিসে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দুই রাজনৈতিক দলের ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বহরমপুর শহর। জেলা তৃণমূল সভাপতি মান্নান হোসেন জানান, কংগ্রেস মিথ্যা অভিযোগ করছে। পরিকল্পিতভাবে এই হামলা করা হয়েছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। এদিকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী জানান, “মুর্শিদাবাদ জেলাতে তৃণমূল শক্তি বৃদ্ধি করতে পারছে না। তাই আমাদের ঘরে আটকে রেখে কংগ্রেস কাউন্সিলরদের উপর এই হামলা করা হয়। আমাদের পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়। পুলিশের সামনেই এসব হয়েছে।” পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। ঘটনার জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।
সর্বশেষ খবর
-
কুমড়োর সঙ্গে ওষুধ খেয়েই কেল্লাফতে, হাঁটাচলা শুরু ‘রামলালে’র
-
হাত চ্যাটচ্যাট না করেও নরম হবে আটা, রুটি বানানোর আগে মাথায় রাখুন ৫ কৌশল
-
শিনকু লা টানেল ঘিরে আশার আলো! লাদাখের সঙ্গে যোগাযোগ গড়বে নতুন স্থায়ী রাস্তা
-
‘আমি কখনও গর্ভপাত করিনি,’ নারী শরীর নিয়ে ‘অসংবেদনশীল’ মন্তব্য! কটাক্ষে বিদ্ধ ওরি
-
ব্রাজিল ম্যাচের আগেই রাজ্যে কিংবদন্তি কাফু, দার্জিলিং ও কলকাতায় একাধিক কর্মসূচি
