Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
তৃণমূল

মাঝরাতে বাইকে চড়ে দুষ্কৃতীদের হানা, গুলিতে খুন আসানসোলের তৃণমূল কাউন্সিলর

এর আগেও হামলা হয়েছিল শাসকদলের ওই কাউন্সিলরের উপর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০১৯, ০৯:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০১৯, ০৯:১০

options
link
মাঝরাতে বাইকে চড়ে দুষ্কৃতীদের হানা, গুলিতে খুন আসানসোলের তৃণমূল কাউন্সিলর zoom
Advertisement

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: আসানসোলে ফের দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য। এবার টার্গেট খোদ শাসকদলের কাউন্সিলর। শনিবার মাঝরাতে দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ হারালেন আসানসোলের তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ খালিদ খান। আসানসোল পুরনিগমের ৬৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন তিনি। ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেই এই খুন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে এর পিছনে রাজনৈতিক অভিসন্ধি আছে কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে বন্দুক দেখিয়ে প্রকাশ্যে দুঃসাহসিক ডাকাতি, দুষ্কৃতীদের মারে জখম ২]

শনিবার রাত ১২ টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে কুলটি থানার বরাকরের মানবেড়িয়া এলাকায়। সেসময় রাতের খাওয়াদাওয়া সেরে নিজের বাড়ির সামনেই পায়চারি করছিলেন শাসকদলের ওই কাউন্সিলর। হঠাৎই বাইকে করে জনা-তিনেক দুষ্কৃতী এসে খুব কাছ থেকে গুলি করে খালিদ খানকে। প্রথমে কাউন্সিলরের পায়ে গুলি করা হয়। এবং পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে গুলি করা হয় বুকে। সঙ্গে সঙ্গে এলাকা থেকে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। এদিকে, ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন মহম্মদ খালিদ। তড়িঘড়ি আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: লাগাতার যৌন নির্যাতনের শিকার কিশোর, পুলিশের জালে প্রতিবেশী যুবক]

পরিবারের অভিযোগ, পুরনো শত্রুতার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। তাছাড়া এই কাউন্সিলরের উপর হামলার ঘটনা প্রথম নয়।খালিদের ভাই মহম্মদ আরমান দাবি, বছর তিনেক আগেও একই রকমের হামলা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। সেবারে প্রাণে বেঁচে যান খালিদ খান। তাঁদেরই বাড়ির তিন আত্মীয় টিঙ্কুকাদের ও শাহিদ সেবার হামলা চালিয়েছিল। এমনকীখালিদের বাবাকেও আক্রমণ করেছিল ওই অভিযুক্তরা। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন। তারাই আবার হামলা চালিয়েছে বলে মৃত কাউন্সিলারের ভাই দাবি করেন। কাউন্সিলারের পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে৷ কাউন্সিলরের মৃত্যুতে গোটা এলাকায় চাপা উত্তেজনার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। শোকস্তবদ্ধ মহম্মদ খালিদের পরিবার। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুরনো শত্রুতার জেরেই হামলা চালানো হয়েছে খালিদের উপর। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সমস্যা হল, এই এলাকাটি এক্কেবারে ঝাড়খণ্ড লাগোয়া। তাই দুষ্কৃতীরা গুলি চালানোর পর ঝাড়খণ্ডে পালিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা পুলিশের। সেক্ষেত্রে ঝাড়খণ্ড পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই। এদিকে দলীয় কাউন্সিলেরর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান আসানসোল পুরনিগমের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি। মৃত কাউন্সিলরের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.